নির্বাচনে নৌকার পক্ষে বীর মুক্তিযোদ্ধাদেরকে অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে কাজ করার আহ্বান

150

বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ চট্টগ্রাম মহানগর ইউনিট কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মোজাফফর আহমদ বলেছেন, আগামী ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। অনুষ্ঠিতব্য এ নির্বাচনকে ঘিরে দেশ বিরোধী অপশক্তি ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেক হাসিনা ছাড়া বাংলাদেশ আর কারও হাতে নিরাপদ নয়। তাই সকল ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সতর্ক থেকে আগামী সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে আবারও ক্ষমতায় বসাতে সর্বস্তরের বীর মুক্তিযোদ্ধাদেরকে নৌকার পক্ষে দেশ ও জাতির অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে কাজ করার আহবান জানান তিনি।

Advertisement

আজ ১ ডিসেম্বর শুক্রবার বিকেল ৪টায় নগরীর দারুল ফজল মার্কেটস্থ মুক্তিযোদ্ধা ভবনের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা দিবস’ ও ‘জাতীয় সংসদ নির্বাচন’ বিষয়ক আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ আহবান জানান।

তিনি বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধারা মরণপণ যুদ্ধে অংশ নিয়ে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে শোচনীয়ভাবে পরাজিত করার মাধ্যমে আমরা বিজয় অর্জন করেছি, সেই মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি রাষ্ট্রীয়ভাবে শ্রদ্ধা জানাতে ১ ডিসেম্বরকে ‘জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা দিবস’ ঘোষণা করার দাবী বহুদিনের। ডিসেম্বর মাস যেমন আনন্দের মাস, তেমনি বেদনারও । ১৯৭১ এর ডিসেম্বরে আমরা যেমন বিজয় অর্জন করেছি, তেমনি হারিয়েছি আমাদের সূর্যসন্তান ও বুদ্ধিজীবীদের। বিগত ২০০৪ সাল থেকে এ দাবি জানিয়ে আসছেন বীর মুক্তিযোদ্ধারা। সরকারের সংশ্লিষ্টরা দাবির সঙ্গে একমত পোষণ করলেও দুই দশক ধরেই উপেক্ষিত রয়েছে এই দাবি।

তিনি আরও বলেন, অবশেষে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রায় দুই দশকের দাবি পূরণ করতে প্রতিবছর ১ ডিসেম্বর মুক্তিযোদ্ধা দিবস ঘোষণা করে রাষ্ট্রীয়ভাবে তা পালনের প্রস্তাব করেছে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটি। সংসদীয় কমিটির এই প্রস্তাবে একমতও প্রকাশ করেছে মন্ত্রণালয়। প্রস্তাববটি মন্ত্রিসভায় উত্থাপনের কথা থাকলেও এবারও ১ ডিসেম্বর রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ছাড়াই পালিত হচ্ছে মুক্তিযোদ্ধা দিবস।

বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ চট্টগ্রাম মহানগর ইউনিট কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মোজাফফর আহমদের সভাপতিত্বে ও সহকারী কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা সাধন চন্দ্র বিশ্বাসের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সংসদের ডেপুটি কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ নুর উদ্দিন, সহকারী কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা এফ.এফ আকবর খান, সহকারী কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেম, সহকারী কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা ছালামত উল্লাহ, সহকারী কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ আবদুল গণি, সহকারী কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোহাম্মদ মারূফ, জেলার সহকারী কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মাহবুবুর রহমান, সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা কবি অরুণ দাশ সাথী, চান্দগাঁও কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ কুতুব উদ্দিন চৌধুরী, বাকলিয়া কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আলী হোসেন, খুলশী কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ ইউসুফ, আকবর শাহ কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ সেলিম উল্লাহ, পাহাড়তলী কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা হাজী জাফর আহমদ, হালিশহর কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ ইউনুছ, ডবলমুরিং সমন্বয়কারী বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল লতিফ, বন্দর থানা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা কামরুল আলম জতু, পতেঙ্গা থানা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা জাকির হোসেন, প্রাতিষ্ঠানিক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ সামশুদ্দিন, সাংবাদিক রনজিত কুমার শীল, বীর মুক্তিযোদ্ধা যথাক্রমে নিয়াকত হোসেন, আবুল কাশেম, আমির আহমদ, রমজান মিয়া, অশোক মুকুল, প্রণাল চৌধুরী, আবুল কালাম, শাহ আলম, প্রশান্ত সিংহ, গোলাম নবী, আবদুছ ছালাম, ইঞ্জিনিয়ার মুজিবুল হায়দার, ডা. ছালেহ আহমদ, সৈয়দ আহমদ, শহীদুল ইসলাম দুলু, শম্ভু দাশ, অমল কান্তি দাশ, মোঃ ইউছুফ, মঞ্জু মিয়া, আবদুল হাফেজ, আবদুস সোবহান, ময়নুল হোসেন, রেজাউল করিম, মোহাম্মদ মোস্তফা, আবদল মতিন, আবদুছ সবুর, আবু তাহের, আবদুল বারেক, মোঃ এয়াকুব, সফিউল আলম, বেলায়েত হোসেন, এডওয়ার্ড ডেভিড, মোঃ নাছির, ছিদ্দিক আহমদ, আবদুস শহীদ, বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান কাজী মুহাম্মদ রাজীশ ইমরান, জয়নুদ্দিন জয়, সৈয়দ মাঈনুল আলম সৌরভ, ইশতিয়াক আহমদ রুমি, জয়নুদ্দিন আহমদ প্রমূখ।

Advertisement