মিরসরাইয়ের রাজাপুরে স্বামী জ্যোতিশ্বরানন্দ গিরির আবির্ভাব উৎসব অনুষ্ঠিত

185

সীতাকুন্ড শঙ্কর মঠ ও মিশনের প্রাণ পুরুষ যোগাচার্য পরমহংস শ্রীশ্রীমৎ স্বামী জ্যোতিশ্বরানন্দ গিরি মহারাজের ১১৫-তম আবির্ভাব উৎসব উপলক্ষে বিশ্বশান্তি শ্রীশ্রী গীতাযজ্ঞ ও সনাতন ধর্ম সম্মেলন আজ ৫ মার্চ মঙ্গলবার মিরসরাইয়ের রাজাপুর শঙ্কর মিশনে অনুষ্ঠিত হয়।

Advertisement

শঙ্কর মঠ ও মিশনের অধ্যক্ষ শ্রীমৎ স্বামী তপনানন্দ গিরি মহারাজের সভাপতিত্বে শঙ্কর মিশনের কর্মকর্তা স্বপন কুমার নাথ ও শিপন কুমার শর্মার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত ধর্ম সম্মেলনে প্রধান বক্তা ছিলেন বিশিষ্ট ধর্মতত্ত্ববিদ অধ্যাপক স্বদেশ কুমার চক্রবর্তী। বিশেষ অতিথি ছিলেন শ্রীমৎ সন্তোষানন্দ ব্রহ্মচারী, বিশিষ্ট ধর্মানুরাগী অধ্যাপক মৃণালিনী চক্রবর্তী, শঙ্কর মঠ ও মিশন কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি অধ্যাপক তড়িৎ কুমার ভট্টাচার্য, সাংগঠনিক সম্পাদক মাষ্টার অজিত কুমার শীল, মহানগর কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক অজিত কুমার শীল, সাংবাদিক রনজিত কুমার শীল, ডা. নিরোধ বরণ নাথ সুভাষ, ধর্মানুরাগী প্রদীপ কুমার মহাজন জহর ও লিটন পাল। স্বাগত বক্তব্য রাখেন শঙ্কর মিশন মিরসরাই উপজেলা শাখার কার্যকরী সভাপতি অধ্যাপক দিলীপ কান্তি নাথ।

অনুষ্ঠানে শঙ্কর মিশন মিরসরাই রাজাপুর শাখার নতুন কর্মাধ্যক্ষ শ্রীমৎ জগদীশ্বরানন্দ ব্রহ্মচারীকে মানপত্র দিয়ে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন উৎসব উদযাপন পরিষদের সভাপতি প্রণব কান্তি শর্মা ও সাধারণ সম্পাদক রাজু চন্দ্র ঢালী। এছাড়া আবির্ভাব উৎসব উপলক্ষে গুরু পূজা, মঙ্গলারতি, গুরুবন্দনা, হরি ওঁ কীর্ত্তন, শ্রীশ্রী চন্ডী পাঠ, দীক্ষাদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। দুপুরে প্রসাদ বিতরণ করা হয়।

ধর্ম সম্মেলনে বক্তারা বলেন, স্বামী জ্যোতিশ্বরানন্দ গিরি মহারাজ ছিলেন একজন অধ্যাত্ম মহাসাধক। সমাজকে আলোকিত করতে শুধু সীতাকুন্ড শঙ্কর মঠ নয়, বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমার হয়ে আমেরিকা পর্যন্ত তিনি গীতা প্রচার করে গেছেন। তাই স্বামী জ্যোতিশ্বরানন্দ গিরি ও গীতার আদর্শ উদ্দেশ্য বুকে ধারণ করতে পারলে সমাজ ও দেশ থেকে অনাচার, অত্যাচার ও নানান ধরণের অপকর্ম দূরীভূত হবে। সুন্দর সমাজ বিনির্মাণে নতুন প্রজন্মের হাতে মোবাইলের পরিবর্তে গীতা তুলে দিতে হবে।

Advertisement