পীরগাছায় আটজনের শরীরে অ্যানথ্রাক্সের জীবাণু শনাক্ত

অ্যানথ্রাক্স রোগ প্রতিরোধে সতর্কতা

719

সম্প্রতি রংপুরের পীরগাছা উপজেলায় আটজনের শরীরে অ্যানথ্রাক্সের জীবাণু পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইন্সটিটিউট (আইইডিসিআর)।

Advertisement

এছাড়া শুক্রবার গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় কয়েকজন রোগীর শরীরে এ রোগের লক্ষন দেখা গিয়েছে।

**অ্যানথ্রাক্স রোগ প্রতিরোধে সতর্কতা**

🔴 অ্যানথ্রাক্স কীভাবে ছড়ায়?

আক্রান্ত বা মৃত গবাদি পশুর (গরু, ছাগল, ভেড়া ইত্যাদি) মাংস, রক্ত, চামড়া বা লোমের মাধ্যমে।

আক্রান্ত পশুর মাংস কাঁচা বা সঠিকভাবে রান্না না করে খেলে।

চামড়া বা পশুর শরীর কাটাছেঁড়া করার সময় ক্ষতস্থান দিয়ে জীবাণু প্রবেশ করলে।

🔴 মানুষের মধ্যে প্রধান লক্ষণ:

ত্বকে কালো দাগ বা ঘা (Cutaneous anthrax)

জ্বর, কাশি, শ্বাসকষ্ট (Inhalation anthrax)

তীব্র পেটব্যথা, বমি ও রক্তাক্ত ডায়রিয়া (Gastro-intestinal anthrax)

🔴 করণীয়:
✅ মৃত বা অসুস্থ পশু জবাই বা ভক্ষণ থেকে বিরত থাকুন।
✅ মাংস অবশ্যই ভালোভাবে সিদ্ধ করে খান।
✅ পশু জবাইয়ের সময় গ্লাভস ও সুরক্ষাসামগ্রী ব্যবহার করুন।
✅ কোনো পশু হঠাৎ মারা গেলে তা কবর দিন, খোলা জায়গায় ফেলে রাখবেন না।
✅ কারো শরীরে সন্দেহজনক কালো ঘা বা উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যোগাযোগ করুন।

👉 অ্যানথ্রাক্স প্রতিরোধযোগ্য ও চিকিৎসাযোগ্য রোগ। সচেতনতা এবং সঠিক পদক্ষেপই পারে আমাদের সকলকে সুরক্ষিত রাখতে।

Advertisement