সীতাকুণ্ড প্রতিনিধিঃ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ নিয়ে মাঠে নেমেছে দেশের মাজারপন্থি ও সুফিবাদী দলগুলো। ৫ আগস্ট পরবর্তী পরিবর্তিত প্রেক্ষাপটে দরবারভিত্তিক তিনটি দলের সমন্বয়ে গঠিত হয়েছে ‘বৃহত্তর সুন্নি জোট’। বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট (মোমবাতি), ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ (চেয়ার) এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি (বিএসপি) (একতারা), এই তিনটি নিবন্ধিত দলের সমন্বয়ে বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ ঘটে।
আসন বণ্টন নিয়ে জোটের নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, ৭০টি আসনের মধ্যে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট লড়বে ২৫টিতে, বিএসপি ২৫টিতে এবং ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ লড়বে ২০টি আসনে।
তিন দলের আসন বন্টনে প্রার্থী দেওয়া হলেও চট্টগ্রাম-৪ সীতাকুণ্ড (আকবরশাহ, পাহাড়তলী আংশিক) আসনে এ সুন্নি জোটে প্রার্থী নিয়ে রয়েছে ধুম্রজাল। এ আসনে জোট থেকে দুইজনই প্রার্থী হয়েছে। দলীয় সমঝোতা না হওয়ায় আলাদা প্রার্থী হয়েছেন বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি (একতারা) থোকে মোঃ শহিদুল ইসলাম চৌধুরী, ইসলামিক ফ্রন্ট (মোমবাতি) থেকে মো: সিরাজুদ্দৌলা। এর ফলে বৃহত্তর সুন্নি জোটের সমর্থকদের মধ্যে দিদ্ধাদ্বন্দ কাজ করছে।
এক জোট থেকে দুইজন প্রার্থী বিষয়ে বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির প্রার্থী মোঃ শহিদুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, জোট থেকে আমাকেই মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। এর আগেও আমি একাধিকবার প্রার্থী হয়েছিলাম।
ইসলামিক ফ্রন্টের প্রার্থী মো: সিরাজুদ্দৌলা বলেন, সীতাকুণ্ড তথা চট্টগ্রাম-৪ আসনে ইসলামিক ফ্রন্টের একটা ভালো অবস্থান রয়েছে। সেখানে একজন অপরিচিত ব্যক্তিকে মনোনয়ন দিলে তার গ্রহণ যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন আসে। দলের সিন্ধান্তেই আমি এ আসনে প্রার্থী হয়েছি।

















