চট্টগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থার কাউন্সিলর ও রাজনীতিবিদ আবুল হাশেম বক্কর বলেছেন চট্টগ্রামে ফুটবলের গণজোয়ার সৃষ্টির জন্য বিভিন্ন বয়সভিত্তিক টুর্নামেন্ট করতে হবে। সেসব টুর্নামেন্ট থেকে খেলোয়াড় বাছাই করে দীর্ঘমেয়াদী প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে। এতে একদিন আমরা বিশ্বকাপের মঞ্চে লড়াই করতে পারবো। বিএনপি সরকার ক্রীড়া বান্ধব সরকার। ক্রীড়াকে পেশা হিসেবে নেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উৎসাহিত করছে। ক্রীড়াকে একটি পূর্ণাঙ্গ ও নিরাপদ পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সরকার বহুমুখী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। জাতীয় পর্যায়ের খেলোয়াড়দের খেলা-পরবর্তী জীবনের নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক নিশ্চয়তা প্রদান এবং যুবসমাজকে মাদকমুক্ত রাখার লক্ষ্যে সরকার এই রূপরেখা বাস্তবায়ন করছে। আমরা বিশ্বার করি তরুন প্রজন্ম ক্রীড়াকে পেশা হিসাবে গ্রহণ করবে। পরিবারকে স্বাবলম্বী করবে। বিশ্ব মঞ্চে দেশের সম্মান বৃদ্ধি করবে। খেলাধুলা মনোনিবেশ করলে যুবসমাজ মাদকের আগ্রাসন থেকে মুক্ত থাকবে। যার ফলে একটি মাদকমুক্ত মেধবী জাতি গঠনে সম্ভব হবে।
তিনি মঙ্গলবার, ২৩ জুন সন্ধায় নগরীর জামালখাঁন ওয়ার্ড়স্থ আসকার দীঘির পাড় শতদল ক্লাব মাঠে মরহুম মঙ্গল মিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খোলাও পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
ফাইনাল খেলায় সাহেদ বক্স একাদশকে পরাজিত করে কুদ্দুস মাঝি স্মৃতি সংসদ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে।
ক্রীড়া সংগঠক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব সাহেদ বক্স এর সভাপতিত্বে ও মঙ্গল স্মৃতি সংসদের সদস্য সচিব সৈয়দ সাফওয়ান আলীর পরিচালনায় এতে প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থার ট্রেজারার সাহাবুদ্দিন মোঃ জাহাঙ্গীর। উদ্বোধক ছিলেন বাংলাদেশ জেলা ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংগঠক এসোসিয়েশন কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য বিপ্লব দে পার্থ। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কোতোয়ালী থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি মনজুর রহমান চৌধুরী, জামাল খাঁন ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য সচিব দিদারুল ইসলাম, বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক, আবু মোঃ মহসিন চৌধুরী, আশরাফুজ্জামান স্বপণ, বিপ্লব পার্থ।
এতে আরো উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ সেলিম,হাসানুল করিম, মোঃ হারুন, সো.পিয়ারু, মো.শরীফ, মঙ্গল স্মৃতি সংসদের মোঃ ইমরান হোসেন, রুহুল আমীন, হেলাল মিয়া, মনির হোসেন, মোবারক হোসেন, সাব্বির খন্দকার, শিমুল মিয়া, আমীর হোসেন, মোঃ মিরাজ, মোঃ সোহেল প্রমূখ।

















