জোড়আমলস্থ আল আমিন সুন্নিয়া মাদ্রাসায় দোয়া মাহফিল ও পুরষ্কার বিতরণী সম্পন্ন

1

সীতাকুণ্ড প্রতিনিধি: সীতাকুণ্ড উপজেলার জোড়আমলস্থ আল আমিন ইসলামিয়া সুন্নিয়া দাখিল মাদ্রাসায় পবিত্র শোহাদায়ে কারবালা মাহফিল ও মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগীতার পুরষ্কার বিতরণ এবং অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

Advertisement

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকালে মাদ্রাসা মাঠে পবিত্র আশুরা উপলক্ষে শোহাদায়ে কারবালা মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

দুপুরে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের এবং মাদ্রাসার বিভিন্ন বিভাগের কৃতি শিক্ষার্থীদের মাঝে ক্রেস্ট, সার্টিফিকেট এবং পুরস্কার বিতরণ এবং অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া হিফজুল কোরআন সম্পন্ন করায় এ মাদ্রাসার শিক্ষার্থী মিনহাজুল আলম ইয়ামিনকে সন্মাননা প্রদান করা হয়।

আল আমিন ইসলামিয়া সুন্নিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার ও সদস্য সচিব মোঃ আবু কায়সারের সভাপতিত্বে এবং সহকারী সুপার মোহাম্মদ জাবেদ এর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোঃ শাহজাহান সিরাজ চৌধুরী। প্রধান বক্তা ছিলেন দাতা সদস্য এবং কুমিরা আবাসিক বালিকা স্কুল এন্ড কলেজের সভাপতি ইফতেখার আহমদ জুয়েল। বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রতিষ্ঠাতা সদস্য মোহাম্মদ হোসেন, শিক্ষানুরাগী সদস্য শাহ এমরান চৌধুরী বাপ্পা, অভিভাবক সদস্য আবদুল্লাহ আল মামুন, মোঃ আব্দুল সাত্তার, মো. জসিম উদ্দিন, নুরুল আমিনসহ অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অংশগ্রহণ করেন।

প্রধান বক্তা ইফতেখার আহমদ জুয়েল বলেন, “আমাদের সমাজে শান্তি, ন্যায়বিচার এবং সৌহার্দ্য প্রতিষ্ঠা করতে হলে সকলকে পবিত্র কুরআনের শিক্ষা ও রাসুল (সা.)-এর আদর্শ অনুসরণ করতে হবে। কুরআন শুধু একটি ধর্মীয় গ্রন্থ নয়, এটি একটি পূর্ণাঙ্গ জীবন ব্যবস্থা। রাসুলের (সা.) জীবনাদর্শ মানবিকতা, ন্যায়, দয়া এবং সহনশীলতার আদর্শ উদাহরণ। আমরা যদি এসব শিক্ষাকে ব্যক্তি ও সমাজজীবনে বাস্তবায়ন করি, তবে সমাজ থেকে অন্যায়, অবিচার ও দুর্নীতি দূর হবে।

তিনি অভিভাবকদের উদেশ্যে বলেন, সন্তানকে মাদ্রাসায় দিয়ে আপনাদের দায়িত্ব শেষ নয়। তাদেরকে সঠিকভাবে গাইড করতে হবে। নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিত থাকতে হবে, সন্তান পড়ালেখায় মনোযোগ দিচ্ছে কিনা সব বিষয়ে নজর রাখতে হবে।

শিক্ষকদের উদেশ্যে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের শুধু পড়ালেখার মধ্যেই সীমাবদ্ধ না রেখে বরং তাদের মধ্যে চারিত্রিক গঠন, নেতৃত্বের গুণাবলি, খেলাধুলা এবং ধর্মীয় সংস্কৃতি চর্চারও সুযোগ করে দিতে হবে।

Advertisement