চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সঃ) বিশ্ববাসীর জন্য রহমতস্বরূপ প্রেরিত হয়েছিলেন। তাঁর রেখে যাওয়া শান্তি, সাম্য ও মানবতার আদর্শ অনুসরণের মাধ্যমেই সমাজে প্রকৃত শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব। আওলিয়া কেরামগণ সারা জীবন প্রিয় নবীর আদর্শ প্রচার এবং সুফিবাদের চিরন্তন শান্তির বার্তা ছড়িয়ে দিয়েছেন। খাজা গরীব উল্লাহ শাহ (রহঃ) এর মতো অলিয়ে কামেলদের আদর্শ আমাদের সমাজে ভ্রাতৃত্ববোধ ও নৈতিকতার আলো ছড়ায়।
তিনি বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) দামপাড়াস্থ মাজার প্রাঙ্গণে উপমহাদেশের প্রখ্যাত অলিয়ে কামেল, সুফি সাধক খাজা গরীব উল্লাহ শাহ (রহঃ)এর মাজার পরিচালনা কমিটির উদ্যোগে ঈদে মিলাদুন্নবী (সঃ) মাহফিলে ভার্চুয়ালী যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
তিনি তাঁর বক্তব্যে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সঃ) এর আদর্শ অনুসরণ করার গুরুত্ব তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, সিটি করপোরেশনের সার্বিক উন্নয়ন কার্যক্রমের পাশাপাশি চট্টগ্রামের ধর্মীয় ও আত্মিক ঐতিহ্য রক্ষায় আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই মাজার প্রাঙ্গণ ও এর সংলগ্ন সার্বিক পরিবেশের পবিত্রতা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে মাজার ওয়াকফ এস্টেট থেকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
মাহফিলে বিপুল সংখ্যক ধর্মপ্রাণ মুসল্লি ও ভক্তবৃন্দ অংশ নেন। এতে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করা হয়। পরে এতিমখানার দুইজন ছাত্রকে দস্তরবন্দী করা হয়।
গরীব উল্লাহ শাহ্ জামে মসজিদের খতিব, বিশিষ্ট লেখক ও গবেষক হাফেজ আল্লামা আনিসুজ্জামান আল কাদেরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মাহফিলে প্রধান আকর্ষণ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট লেখক, গবেষক ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব, জামেয়া আহমাদিয়া সুন্নিয়া আলিয়া মাদ্রাসার মুহাদ্দিস ড. আল্লামা নাছির উদ্দিন আল কাদেরী। উপস্থিত ছিলেন মাজার ওয়াকফ এস্টেটের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ গোলাম সরোয়ার, সদস্য শওকত আজম খাজা, আবদুল হালিম স্বপন, মোহাম্মদ রুবেল, আবদুল মান্নান, ফারুক শিকদার, মোহাম্মদ ইদ্রিস আলী প্রমুখ।

















