রক্তদান সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠা ও মানুষের জীবন বাঁচাতে অনবদ্য ভূমিকা রাখে: সুজন

196

নাগরিক উদ্যোগের প্রধান উপদেষ্টা এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন বলেছেন, আর্তমানবতার সেবায় স্বেচ্ছায় রক্তদানে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। রক্তদান কর্মসূচি সমাজের শান্তি প্রতিষ্ঠায় এবং মানুষের জীবন বাঁচাতে অনবদ্য ভূমিকা রাখে।

Advertisement

আজ সোমবার (২১ মার্চ) বিকেলে চট্টগ্রাম দরবার শরীফে ১৯তম মহাত্মা সম্মেলন উপলক্ষে আয়োজিত ফ্রি খতনা ক্যাম্প, বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও স্বেচ্ছায় রক্তদান অনুষ্ঠানে উদ্বোধকের বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথা বলেন।

বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি চট্টগ্রাম জেলা ইউনিটের সহযোগিতায় বোয়ালখালীতে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এদিন প্রায় শতাধিক আশেকানে মাইজভান্ডারী ও রাহে ভান্ডারী স্বপ্রণোদিত হয়ে মানবতার সেবায় রক্তদান করেন।

দরবারের সাজ্জাদানশীন ও মহাত্মা সম্মেলনের উদ্যোক্তা আল্লামা ছৈয়দ জাফর ছাদেক শাহ’র সভাপতিত্বে এসময় বিভিন্ন দরবারের সুফী সাধক, সরকারের প্রশাসনিক ব্যক্তিবর্গ, বিভিন্ন পেশাজীবী নেতা ও রাহে ভান্ডারের অনুসারীরা উপস্থিত ছিলেন।

মহাত্মা সম্মেলন উদযাপন পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত দিনব্যাপী আয়োজনে কর্মসূচির মধ্যে ছিল রাহে ভান্ডার এনোবল এওয়ার্ড প্রদান, মহাত্মাদের আলোচনা সভা ও বিশ্ব মানবতার শান্তি কামনায় বিশেষ মোনাজাত।

অনুষ্ঠানে খোরশেদ আলম সুজন আরও বলেন, চট্টগ্রাম দরবার শরীফের সামাজিক এ আয়োজনে এসে আমার মন আজ উৎফুল্ল হয়ে উঠেছে। দরবার শরীফ যে শুধুমাত্র ধর্মীয় কর্মকান্ড কিংবা ওরশের মধ্যে সীমাবদ্ধ না তা আজকের মহতী এ অনুষ্ঠানমালা ই প্রমাণ করে। রক্তদানের মতো এমন মহতী কার্যক্রমের মাধ্যমে মূলত মানুষের মধ্যে সমমর্মিতা জাগ্রত হচ্ছে। রক্ত গ্রহীতারা যতদিন বেঁচে থাকবেন ততদিন তারা এই রক্ত ধারণ করবেন। এরপরও এই রক্ত বংশ পরম্পরায় বহমান থাকবে। রক্তদানের মতো এমন কার্যক্রমের জন্যে চট্টগ্রাম দরবারের এই উদ্যোগের প্রতি তিনি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানান।

চট্টগ্রাম দরবার শরীফের সামাজিক কর্মকান্ডসমূহ সারা দেশে ছড়িয়ে পড়বে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

Advertisement