কালুরঘাটে পাল্টাপাল্টি সমাবেশের ডাক আ.লীগ-বিএনপির

266

একাত্তরে স্বাধীনতা ঘোষণার প্রচারকেন্দ্র চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতারকেন্দ্রের সামনে বিএনপি কর্মসূচি ঘোষণার পর একইসময়ে আওয়ামী লীগও পাল্টা সমাবেশ ডেকেছে। এ নিয়ে সংঘাতের আশংকায় সতর্ক অবস্থানে থাকার কথা জানিয়েছে নগর পুলিশ।

Advertisement

বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিএনপির স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন জাতীয় কমিটির পক্ষ থেকে রবিবার (২৭ মার্চ) দুপুর ২টায় কালুরঘাট বেতারকেন্দ্রে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হবে। এতে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলগমীর এবং স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন ও আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী উপস্থিত থাকবেন।

অন্যদিকে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে কালুরঘাট বেতারকেন্দ্র সংলগ্ন স্বাধীনতা পার্কের সামনে রবিবার সকাল ১০টা থেকে বিকেল পর্যন্ত গণজমায়েত ও সমাবেশের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে।

এর আগে বিএনপি কালুরঘাট বেতারকেন্দ্রের সামনে ২৭ মার্চ সমাবেশের ঘোষণা দিয়েছিল। সমাবেশের জন্য দলটির পক্ষ থেকে সিএমপিতে আবেদনও করা হয়। সিএমপি অনুমতি না দেওয়ায় তারা সমাবেশ থেকে সরে এসে শুধু শ্রদ্ধা নিবেদনের কর্মসূচি ঘোষণা করে। তবে সেখানে বড় আকারের জমায়েত করে তাৎক্ষণিক সমাবেশের পরিকল্পনা দলটির আছে বলে একাধিক নেতার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে। এ নিয়ে শুক্রবার স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর উপস্থিতিতে নগরীর নাসিমন ভবনে দলীয় কার্যালয়ে প্রস্তুতি সভাও করেছে চট্টগ্রাম মহানগর এবং উত্তর ও দক্ষিণ জেলা বিএনপি।

এই বিষয়ে বিএনপির স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন জাতীয় কমিটির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সদস্য সচিব মাহবুবের রহমান শামীম বলেন, ‘আমরা দুপুর দুইটায় শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য যাব। যারা আসবেন শুধুমাত্র শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন, কোনো সমাবেশ হবে না। তবে জমায়েত থাকবে। যেহেতু আমাদের পার্টির মহাসচিব এবং স্থায়ী কমিটির দুইজন সদস্য থাকবেন, স্বাভাবিকভাবেই সেখানে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য হতে পারে।’

এই বিষয়ে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ইব্রাহিম হোসেন বাবুল বলেন, রবিবার সকাল ১০টা থেকে আমরা কালুরঘাট বেতারকেন্দ্রের পাশে স্বাধীনতা পার্কের সামনে সমাবেশ করব। বিকেল পর্যন্ত সেখানে থাকব। বিএনপি হঠাৎ করে যে কর্মসূচি দিয়েছে তাতে তাদের খারাপ উদ্দেশ্য আছে বলে মনে হচ্ছে। এর প্রতিবাদে আমরা সমাবেশের ডাক দিয়েছি।

পাল্টাপাল্টি কর্মসূচির বিষয়ে নগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর) আরাফাতুল ইসলাম বলেন, আমাদের কাজ হচ্ছে আইনশৃঙ্খলার অবনতি যাতে না হয় সে বিষয়টি দেখা। আমরা আইনশৃঙ্খলার বিষয়টি দেখব। আমরা অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েনসহ যা যা প্রস্তুতি নেওয়া দরকার সবই নিচ্ছি।

Advertisement