মুক্তিযুদ্ধে মোজাহেরুল হক চৌধুরীর অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবেঃডা. শাহাদাত

210

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহবায়ক ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোজাহেরুল হক চৌধুরী ১৯৭১ সালে শহীদ জিয়ার ডাকে দেশমাতৃকার মুক্তির জন্য মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন। বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ সন্তান হচ্ছে মুক্তিযোদ্ধারা। মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আজ আমরা স্বাধীন দেশের নাগরিক। মুক্তিযোদ্ধা মোজাহেরুল হক চৌধুরী বিএনপির একজন নিবেদিত প্রাণ নেতা ছিলেন। বিএনপির প্রতিষ্টাকালীন সময় থেকে তিনি মৃত্যুর আগে পর্যন্ত দলীয় আদর্শের প্রতি অবিচল থেকে বিএনপিকে শক্তিশালী করতে নিরলসভাবে কাজ করে গেছেন। মোজাহেরুল হক চৌধুরীর মুক্তিযুদ্ধে অবদান যুগ যুগ ধরে চির স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তার মুক্তিযুদ্ধের অবদানকে মূল্যায়ন করা এখন সময়ের দাবী।

Advertisement

তিনি সোমবার (১ আগষ্ট) বাদে জোহর নগরীর কদম মোবারক জামে মসজিদে বীর মুক্তিযোদ্ধা মোজাহেরুল হক চৌধুরীর ৬ষ্ট মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে মোজাহের-মারজান স্মৃতি পরিষদের দোয়া মাহফিল ও স্বরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন।

দোয়া মাহফিলে মরহুম মোজাহেরুল হক চৌধুরীর আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া ও মুনাজাত করা হয়। এর আগে খতমে কোরান অনুষ্টিত হয়। এরপর এতিম ছাত্রদের মাঝে খাবার বিতরণ করা হয়।

এসময় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবুল হাশেম বক্কর বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে হলে বিএনপির চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার পরিপূর্ণ মুক্তির মাধ্যমে দেশের গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। সকল মুক্তিকামী জনতাকে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে রাজপথে এগিয়ে আসতে হবে। একাত্তরে যেভাবে মানুষ দেশ স্বাধীন করার জন্য ঝাপিয়ে পড়েছেন দলমত উর্ধ্বে উঠে, ঠিক এখনো সেইভাবে আমাদেরকে দেশের গণতন্ত্র ও স্বাধীনতা রক্ষা করার জন্য বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির আন্দোলনে ঝাপিয়ে পড়তে হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক আবু সুফিয়ান বলেন, দেশের গণতন্ত্র আজ বিপন্ন। মানুষের কথা বলার অধিকার নাই। এরকম স্বাধীনতা চায়নি মুক্তিযোদ্ধারা। তারা এমন একটি দেশ চেয়েছে যে দেশে সকল মানুষ তাদের অধিকার নিয়ে চলতে পারবে। কিন্তু আজ দেশে চলছে একদলীয় শাসন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবুল হাশেম বক্কর, দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক আবু সুফিয়ান, মহানগর বিএনপির সি. যুগ্ম আহবায়ক আলহাজ্ব এম এ আজিজ, যুগ্ম আহবায়ক ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, আবদুল মান্নান, আহবায়ক কমিটির সদস হারুন জামান, হাজী মো. আলী, দক্ষিণ জেলার সদস্য এড. ইফতেখার মহসিন চৌধুরী, কামরুল ইসলাম হোসাইনী, মহানগর সদস্য আনোয়ার হোসেন লিপু, গাজী মো. সিরাজ উল্লাহ, সাংবাদিক জাহিদুল করিম কচি, মহানগর যুবদলের সভাপতি মোশাররফ হোসেন দিপ্তী, কোতোয়ালী থানা বিএনপির সভাপতি মনজুর রহমান চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব জাকির হোসেন, মহানগর বিএনপি নেতা এম আই চৌধুরী মামুন, একে খান, একেএম পেয়ারু, সালাউদ্দীন কায়সার লাভু, মো. ইদ্রিস আলী, অধ্যক্ষ খোরশেদ আলম, হাশেম সওদাগর, নকিব উদ্দিন ভূঁইয়া, ইউসুফ শিকদার, জসিম উদ্দিন, মোজাহের মারজান স্মৃতি পরিষদের সভাপতি মারুফুল হক চৌধুরী, ওয়ার্ড় বিএনপির সভাপতি আলাউদ্দিন আলী নুর, হাজী নবাব খান, মন্জুর আলম মন্জু, রাসেল পারভেজ সুজন, তৌহিদুস সালাম নিশাদ, হাজী মো. হোসেন, খায়রুজ্জামান জুনু, সাধারণ সম্পাদক হাজী এমরান উদ্দিন, এম এ হালিম বাবলু, সাদেকুর রহমান রিপন, সৈয়দ আবুল বশর, অঙ্গ সংগঠনের নেতা নাছির উদ্দীন চৌধুরী নাসিম, মো. ইলিয়াছ, সাহাবুদ্দীন হাসান বাবু, এমদাদুল হক বাদশা, জিয়াউর রহমান জিয়া, এটিএম ফরিদ, রৌশাঙ্গীর আমিন, মো. ইউনুছ, আসাদুর রহমান টিপু, মো. আলাউদ্দিন সুজন, ইদ্রিস সবুজ, মো. হাসান, এন মো. রিমন, মাঈনুদ্দীন খান রাজিব প্রমূখ।

Advertisement