সরকার সনাতন সমাজের প্রতি যে আন্তরিক জাঁকজমকপূর্ণ শারদীয় দূর্গোৎসবই তা প্রমাণ করে বলে মত প্রকাশ করেছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সাবেক প্রশাসক এবং চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম সুজন। আজ মঙ্গলবার (৪ অক্টোবর) শারদীয় দুর্গাপূজার মহানবমীর দিন সকালে ডবলমুরিং, বন্দর ও পতেঙ্গা থানার আওতাধীন পূজামন্ডপ পরিদর্শন এবং সনাতনী সম্প্রদায়ের নেতবৃন্দের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে উক্ত মত প্রকাশ করেন সুজন।
এ সময় তিনি বলেন, প্রতি বছর সনাতনী বাঙালির শারদীয় দুর্গোৎসবের আনন্দ ছড়িয়ে পড়ে সব মানুষের মধ্যে। দুর্গাপূজা যদিও হিন্দু সমাজের ধর্মীয় উৎসব কিন্তু এটি ধীরে ধীরে পরিণত হয়েছে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল বাঙালির উৎসবে। নগরবাসীর কাছে তাই শারদীয় দুর্গোৎসব মানুষে মানুষে সম্মিলনের অন্যতম উপলক্ষ। পূজার দিনগুলোতে বাঙালি ছুটে বেড়ায় প্রাণের উৎসবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আন্তরিকতা এবং প্রশাসনের নিশ্চিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যে শান্তিপূর্ণভাবে শারদীয়া দূর্গোৎসবের আজ শেষ দিন। মন্ডপে মন্ডপে সাজসজ্জ্বা, আলোকসজ্জ্বা এবং পূজার্থীদের উপস্থিতি দেখে স্বাভাবিকভাবেই এ কথা বলা যায় যে, সনাতন ধর্মাবলম্বীরা নিশ্চিন্তে তাদের ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান পালন করতে পারছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর শাসনামলে সনাতন ধর্মাবলম্বী থেকে শুরু করে দেশের সকল ধর্মের মানুষ নিশ্চিন্তে তাদের ধর্মীয় কার্যাদি সম্পাদন করছে। এ যেন সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক অন্যরকম বাংলাদেশ। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র অসাম্প্রদায়িক চেতনার কারণেই দুর্গাপূজার উৎসবটি সনাতনী সমাজের প্রাণের উৎসবে রূপ লাভ করেছে।
সরকারের নানাবিধ উদ্যোগ এবং প্রশাসনের নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে দুর্গাপূজার আয়োজনকে উৎসবমুখর করে তুলেছে সনাতনী সমাজ সেজন্য সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন খোরশেদ আলম সুজন।
অন্যান্যদের মধ্যে এসময় উপস্থিত ছিলেন বন্দর থানা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হাজী মো. ইলিয়াছ, অধ্যক্ষ কামরুল হোসেন, মোরশেদ আলম, সালাউদ্দিন বাদশা, মো. নুরউদ্দিন, মো. ফরিদ, সমীর মহাজন লিটন, মো. বাবলু, সুজন শীল, হাসান হাবিব সেতু, মো. আবিদ, আশীষ সরকার নয়ন, অংকন শীল, অনিক চক্রবর্ত্তী, আসিফ খান, সেতু দে, জনি মিত্র, আর্নেষ্ট দেবনাথ, জনি দাশ, মাহাদী হাসান সনন প্রমূখ।
















