চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া আখতার এর সঙ্গে বাংলাদেশ এন্টারপ্রাইজ ইনস্টিটিউট (বিইআই) এর প্রেসিডেন্ট ও সাবেক রাষ্ট্রদূত এম হুমায়ুন কবিরের এক সৌজন্য সাক্ষাৎ আজ বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর ২০২৫) দুপুর ১টায় চবি উপাচার্য কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।
সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশের সৃজনশীল কূটনীতি গঠনে উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহের ভূমিকা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী সমাজকে গবেষণায় আরও সম্পৃক্ত করার উপায়সহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক একাডেমিক ও গবেষণা উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
চবি উপাচার্য প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া আখতার সাবেক রাষ্ট্রদূতকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে স্বাগত জানিয়ে একাডেমিক কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করেন।
উপাচার্য বলেন, আমরা দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে শিক্ষার্থীদের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছি। গবেষণায় বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে। প্রায়ই গবেষণা কেন্দ্রিক সভা-সেমিনার অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ক্যাম্পাসে একাডেমিক ইমেজ বজায় রাখার জন্য আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি।
বাংলাদেশ এন্টারপ্রাইজ ইনস্টিটিউট (বিইআই) বর্তমানে “বাংলাদেশের সৃজনশীল কূটনীতি গঠন” শীর্ষক একটি গবেষণা প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে, যার মূল লক্ষ্য একটি অধিকারভিত্তিক, অংশগ্রহণমূলক ও নাগরিক-কেন্দ্রিক পররাষ্ট্রনীতি কাঠামো প্রণয়ন ও প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ। এই প্রকল্পের অংশ হিসেবে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের শিক্ষকমণ্ডলীদের অংশগ্রহণে একটি ফোকাস গ্রুপ ডিসকাশন (এফজিডি) অনুষ্ঠিত হয়। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিয়ে “বাংলাদেশের সৃজনশীল কূটনীতি গঠন” বিষয়ক জরিপ ও “জনকেন্দ্রিক সংস্কার ও গণতান্ত্রিক উত্তরণ” শীর্ষক একটি কর্মশালাও আয়োজন করা হয়।
সৌজন্য সাক্ষাতে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ এন্টারপ্রাইজ ইনস্টিটিউটের সিনিয়র রিসার্চ অফিসার মো. ফয়সাল আহমেদ, রিসার্চ অফিসার খাইরুল হাসান জাহিন, রিসার্চ এসিস্ট্যান্ট আল-মামুনুর রশিদ ও চাকসুর নির্বাহী সদস্য মো. সোহানুর রহমান।
উল্লেখ্য, বিইআই একটি অরাজনৈতিক ও অলাভজনক গবেষণা প্রতিষ্ঠান, যা ২০০০ সাল থেকে সুশাসন, পররাষ্ট্রনীতি, নিরাপত্তা, আঞ্চলিক সহযোগিতা ও দক্ষতা উন্নয়নে গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।
















