চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সি. যুগ্ম সম্পাদক আলী মর্তুজা খান, সহ সাধারণ সম্পাদক পাভেল হাসান, মহানগর ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক নূর জাফর রাহুল, বন্দর থানা ছাত্রদল নেতা দেলোয়ার হোসেন অভি কোতোয়ালী থানায় দায়েরকৃত ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলায় চট্টগ্রাম আদালতে আত্বসমর্পন করলে আদালত জামিন বাতিল করে কারাগারে প্রেরণের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহবায়ক ডা. শাহাদাত হোসেন, সদস্য সচিব আবুল হাশেম বক্কর, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক আবু সুফিয়ান, সদস্য সচিব মোস্তাক আহমেদ খান, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এইচ এম রাশেদ খান, সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন বুলু, মহানগর ছাত্রদলের আহবায়ক সাইফুল আলম, সদস্য সচিব শরিফুল ইসলাম তুহিন।
মঙ্গলবার (১ মার্চ) এক বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ নেতাকর্মীদের জামিন বাতিল করে কারাগারে প্রেরণের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, জোর করে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় টিকে থাকতে অবৈধ সরকারের জুলুম নির্যাতনের মাত্রা এখন ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। সরকার দেশকে বিরোধী দলমুক্ত করে বাকশালী শাসনকে চিরস্থায়ী রূপদানের জন্য নেতাকর্মীদের গ্রেফতারের মাধ্যমে কারান্তরীণ করতে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। নিজেদের ব্যর্থতা আড়াল করার জন্য বিরোধী দলের ওপর ধারাবাহিক নিপীড়ণ নির্যাতন অব্যাহত রেখেছে। নির্দোষ নেতাকর্মীরা সরকারের নির্মমতার স্বীকার হচ্ছেন। বিরোধী দলের নিরাপরাধ মানুষ গুলোকে ধরে নিয়ে কারান্তরীণ করে রাখছে সরকার। মানুষ আজ ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত। আদালতে বিচার নেই।
নেতৃবৃন্দ বলেন, দেশ পরিচালনায় সকল ক্ষেত্রে ব্যর্থ হয়ে আওয়ামী সরকার ফ্যাসিবাদী আচরণের আশ্রয় নিয়েছে। মানুষের ভোট ও গণতান্ত্রিক অধিকারকে ধ্বংসের মাধ্যমে সমগ্র দেশটাকে কারাগারে পরিণত করেছে। নেতা কর্মীদেরকে গ্রেফতার এবং তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও কাল্পনিক কাহিনী তৈরী করে মামলা দায়ের করা হচ্ছে, কারান্তরীণ করা হচ্ছে। বানোয়াট ও সাজানো মিথ্যা মামলায় নেতাকর্মীদের জামিন বাতিল করে কারাগারে প্রেরণ সরকার কর্তৃক সংঘটিত অপকর্মগুলোরই ধারাবাহিকতা।
নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে গ্রেফতারকৃত আলী মর্তুজা খান সহ চার নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা সব মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করে নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানান।

















