চট্টগ্রাম নগরের পাঁচলাইশ থানার হামজারবাগ এলাকায় এক কিশোরীর মৃত্যু ঘিরে রহস্য সৃষ্টি হয়েছে। আত্মহত্যা, না পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড এ নিয়ে চলছে পুলিশী তদন্ত। তবে হত্যাকাণ্ড হলে সৎ মা জড়িত থাকতে পারে এমন ধারণায় নিহত কিশোরী মারিয়ার (১২) সৎ মা-সহ তিনজনকে পুলিশ আটক করে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করছে।
আজ বৃহস্পতিবার বাসার টয়লেট থেকে ওই কিশোরীর লাশ উদ্ধার করে পাঁচলাইশ থানা পুলিশ।
মারিয়া চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি থানার নাজিরহাট পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের আমান উল্লাহ তালুকদার বাড়ির মহিউদ্দিনের মেয়ে।
জানা গেছে, প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে মহিউদ্দিনের ডিভোর্স হলে নুসরাত জাহান ইবা (২৭) নামের অপর এক নারীকে বিয়ে করেন মহিউদ্দিন। নতুন সংসারেও তাঁর দুটি ছেলে সন্তান রয়েছে। গত চার মাস আগে গ্রাম ছেড়ে মহিউদ্দিন স্ত্রী-সন্তান নিয়ে হামজারবাগ এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতে শুরু করেন। সাথে তাঁর স্বামীর আগের সংসারের মেয়ে মারিয়াকে নিয়ে আসেন।
গত বুধবার রাত ৮টার দিকে বাসার টয়লেটে মুমূর্ষু অবস্থায় মারিয়া পড়ে ছিল। পরে নগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার খবর পেয়ে গ্রাম থেকে যান নিহতের বাবা ও চাচারা। পরে তারা বিষয়টি পাঁচলাইশ থানাকে অবহিত করলে পুলিশ এসে লাশ সুরতহাল তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়। পুলিশ নিহতের সৎ মা নুসরাত জাহান ইবাসহ (২৭) আরও তিনজনকে আটক করে জিজ্ঞেসাবাদ করছে।

















