সীতাকুণ্ড প্রতিনিধি: আদালতে ভুল তথ্য উপস্থাপন করে সীতাকুণ্ডে বৈধ গরুর হাট বন্ধের অপচেষ্টার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে ইজারাদার মোঃ সাজ্জাদ হোসেন।
সোমবার সন্ধ্যায় সীতাকুণ্ড প্রেস ক্লাবে উক্ত সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
ইজারাদার মোঃ সাজ্জাদ হোসেনের পক্ষে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মোঃ নাজিম উদ্দীন। তিনি বলেন, পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে স্থানীয় চাহিদার প্রেক্ষিতে সীতাকুণ্ড উপজেলার পাক্কা রাস্তার মাথা এলাকায় ড্রিম স্টিল রি-রোলিং মিলস মাঠে অস্থায়ী গরুর হাটটি স্থাপন করা হয়েছে। জেলা প্রশাসকের অনুমোদনক্রমে উপজেলা পরিষদের মাধ্যমে হাট ও বাজার স্থাপন ও ব্যবস্থাপনা বিধিমালা, ২০২৫ অনুযায়ী হাটটি ইজারা দেওয়া হয়েছে। বিধিমালার ১৫ নম্বর বিধি অনুযায়ী জেলা প্রশাসক অস্থায়ী পশুর হাটের ইজারা দেওয়ার ক্ষমতা রাখেন। সেই ক্ষমতাবলেই উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে উন্মুক্ত ইজারা বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে সর্বোচ্চ দরদাতাকে হাটটি ইজারা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু চট্টগ্রাম নগরের সাগরিকা গরুর হাট ইজারাদার মোঃ ফজলে আলম চৌধুরী অন্যায়, অবৈধ ও বেআইনি হস্তক্ষেপ করে সীতাকুণ্ডের এ হাট বন্ধের জন্যে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন। রিটে হাটটিকে অবৈধ ও অনুমোদনবিহীন দাবি করা হয়। পাশাপাশি এটি সিটি করপোরেশন এলাকার মধ্যে অবস্থিত এবং মহাসড়কের ওপর বসানো হয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে প্রশাসনিক সূত্র বলছে, এসব অভিযোগ সঠিক নয় এবং অনেক তথ্য আদালতে ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। হাটটি সিটি করপোরেশন এলাকায় নয়; বরং সীতাকুণ্ড উপজেলার সলিমপুর ইউনিয়নে অবস্থিত। ফলে সিটি করপোরেশনের কোনো বাজারের সঙ্গে এর প্রশাসনিক বা আইনগত সম্পর্ক নেই। এছাড়া এটি সলিমপুর ইউনিয়নের একমাত্র গরুর হাট এবং প্রথমবারের মতো অস্থায়ী ভিত্তিতে চালু করা হয়েছে।
স্থানীয়রা বলছেন, এই হাটটি বন্ধ হয়ে গেলে পুরো ইউনিয়নের মানুষকে কোরবানির পশু কিনতে দূরবর্তী এলাকায় যেতে হবে, এতে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বাড়বে। অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই করতে রোববার সকালে চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) সাখাওয়াত জামিল সৈকত হাট এলাকা পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন শেষে তিনি বিষয়টি নিয়ে জেলা প্রশাসকের কাছে প্রতিবেদন জমা দেবেন বলে জানিয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন মো: খোরশেদ আলম, দিদারুল আলম, ড্রিম রি রোলিং মিলস অস্থায়ী বাজারের পরিচালক সোহেল সরওয়ারসহ বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ।

















