চট্টগ্রাম নগরীর অন্যতম বৃহৎ বাণিজ্যিক কেন্দ্র সিঙ্গাপুর ব্যাংকক মার্কেটকে আধুনিক, নিরাপদ ও ক্রেতাবান্ধব হিসেবে গড়ে তুলতে বিভিন্ন উন্নয়ন কাজের শুভ উদ্বোধন করেছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।
উন্নয়ন কার্যক্রমের আওতায় মার্কেটে এস্কেলেটর স্থাপন, নতুন টাইলস বসানো, সিলিং সংস্কার, আধুনিক বাথরুম নির্মাণ এবং অজুখানার উন্নয়ন করা হবে। শুক্রবার আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এসব কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, “একটি আধুনিক নগরীর অর্থনৈতিক প্রাণকেন্দ্র হচ্ছে তার বাজার ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো। ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের জন্য উন্নত পরিবেশ নিশ্চিত করতে বাজারগুলোর অবকাঠামোগত উন্নয়ন সময়ের দাবি। সিঙ্গাপুর ব্যাংকক মার্কেটের এই উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন হলে এখানে আগত ক্রেতারা আরও উন্নত ও স্বাচ্ছন্দ্যময় পরিবেশে কেনাকাটার সুযোগ পাবেন এবং ব্যবসায়ীরাও উপকৃত হবেন।”
তিনি বলেন, “চট্টগ্রামকে একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও স্মার্ট নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে সিটি কর্পোরেশন বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। নাগরিক সেবা ও বাণিজ্যিক সুবিধা বৃদ্ধির পাশাপাশি জনবান্ধব অবকাঠামো গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য। ব্যবসায়ী সমাজের সহযোগিতা ছাড়া এই লক্ষ্য অর্জন সম্ভব নয়।”
মেয়র আরও বলেন, “নগর উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় চট্টগ্রামের বিভিন্ন মার্কেট ও বাণিজ্যিক স্থাপনার আধুনিকায়নে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি এবং ক্রেতাদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা বর্তমান নগর ব্যবস্থাপনার অন্যতম অগ্রাধিকার।”
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের অঞ্চল-৪-এর নির্বাহী প্রকৌশলী আনোয়ার জাহান, উপসহকারী প্রকৌশলী এ টি এম সেলিম রেজা, সাবেক কাউন্সিলর মো. সেকান্দার হোসেন, সিঙ্গাপুর ব্যাংকক মার্কেট দোকান মালিক ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আলহাজ্ব আহমেদ হোছাইন, সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব ছালেহ আহমেদ মনু, সহ-সভাপতি মো. ইব্রাহিম ভুঁইয়া, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. হানিফ পেয়ারু ও মো. নাজিম উদ্দীন আহম্মদ লিটন, অর্থ সম্পাদক মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দীন সিকদার, উপদেষ্টা মো. শাহাজাহানসহ ব্যবসায়ী সমিতির নেতৃবৃন্দ ও বিপুলসংখ্যক ব্যবসায়ী।
সভায় বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত এই উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়িত হলে মার্কেটের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পাবে, ক্রেতা ও ব্যবসায়ীদের ভোগান্তি কমবে এবং সামগ্রিকভাবে বাণিজ্যিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে। পরে মেয়র উন্নয়ন কাজের বিভিন্ন দিক পরিদর্শন করেন এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজের গুণগত মান নিশ্চিত করে সম্পন্ন করার নির্দেশনা প্রদান করেন।

















