মোহাম্মদ নগর এইচ কে সি উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত

6

মোহাম্মদ নগর এইচ কে সি উচ্চ বিদ্যালয়ের নবগঠিত এডহক কমিটির পরিচিতি সভা বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

Advertisement

সভায় বিদ্যালয়ের নবনির্বাচিত সভাপতি, বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ ও সমাজসেবক জিয়াউর রহমান জিয়াকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়।

এ সময় বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি ডা. আবদুল মতিন, প্রধান শিক্ষক মো. মুশফিকুর রহমান চৌধুরী, অভিভাবক সদস্য সফিকুল ইসলাম টিপু, শিক্ষক প্রতিনিধি উম্মে কুলসুম, সহকারী প্রধান শিক্ষিকা খালেদা আক্তারসহ বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় সভাপতির বক্তব্যে জিয়াউর রহমান জিয়া বলেন, শিক্ষার্থীদের ফলাফল আরও ভালো করার জন্য শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, “গত সময়ের তুলনায় এবার ফলাফল ভালো হয়েছে। ভবিষ্যতে এর চেয়েও ভালো ফলাফল করতে হবে। আপনারা যে ওয়াদা করেছেন, তা শুধু মুখের কথায় নয়—কাগজে-কলমে ফলাফলের মাধ্যমে প্রমাণ করতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আগামী পরীক্ষায় বিগত বছরের তুলনায় আরও ভালো ফলাফল করলে তাঁর ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ উপহারের ব্যবস্থা করা হবে।

শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য ও পুষ্টির বিষয়েও গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে নিয়মিত বাসা থেকে টিফিন করে বিদ্যালয়ে আসতে হবে। এ বিষয়ে অভিভাবকদেরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। শিক্ষার্থীদের জন্য টিফিনের ব্যবস্থা করায় সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানিয়ে জিয়াউর রহমান জিয়া বলেন, বিদ্যালয়ে তাঁর প্রথম আগমন উপলক্ষে শিক্ষার্থীদের জন্য সামান্য কিছু করার চেষ্টা করেছেন।

সভায় বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি ডা. আবদুল মতিনের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে জিয়াউর রহমান জিয়া বলেন, “শ্রদ্ধাভাজন বড় ভাই ডা. আবদুল মতিনকে আমরা ছোটবেলা থেকেই দেখে আসছি। তাঁর কাছ থেকে আমরা অনেক কিছু শেখার চেষ্টা করেছি। তিনি এই বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।”

সভায় বিদ্যালয়ের সার্বিক শিক্ষার মানোন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের ফলাফল বৃদ্ধি, নিয়মিত টিফিন নিশ্চিতকরণ এবং বিদ্যালয়ের পরিবেশ ও শিক্ষা কার্যক্রম আরও গতিশীল করার বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের শিক্ষক রোকেয়া বেগম, মাফিয়া খাতুন, সাজেদা বেগম, জয়শ্রী বিশ্বাস, ঝুলুন দাশ, আবদুল্লাহ আল মামুন, তারেকুল ইসলাম ও সেলিম উল্লাহসহ বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারী ও সংশ্লিষ্টরা।

Advertisement