ডা.শাহাদাত-বক্কর-সুফিয়ান-দীপ্তিসহ নেতাকর্মীদের নামে মিথ্যা মামলায় যুবদলের নিন্দা ও প্রতিবাদ

409

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহবায়ক ডা. শাহাদাত হোসেন, সদস্য সচিব আবুল হাশেম বক্কর, দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক আবু সুফিয়ান, মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক এম এ আজিজ, নাজিমুর রহমান, কাজী বেলাল উদ্দিন, চট্টগ্রাম মহানগর যুবদল সভাপতি মোশাররফ হোসেন দীপ্তি, ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, সাইফুল ইসলাম, শরীফুল ইসলাম তুহিন, মোহাম্মদ আলী সাকী, মোহাম্মদ গুলজার হোসেন, এইচ এম নুরুল হুদা ও শওকত আকবর সোহাগসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দের নামে কোতোয়ালী থানায় মিথ্যা মামলা দায়েরের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সহ-সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ শাহেদ, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা যুবদলের সভাপতি হাসান জসিম, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা যুবদলের সভাপতি মোহাম্মদ শাহজাহান, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আজগর, এস এম মুরাদ চৌধুরী।

Advertisement

এক যৌথ বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, ৫ জানুয়ারী গণতন্ত্র হত্যা দিবস উপলক্ষ্যে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন কর্মসূচিতে পুলিশের ন্যাক্কারজনক হামলা করে ৪৯ জন নেতাকর্মী গ্রেফতার এবং চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দের নামে উদ্দেশ্য প্রণোদিত হয়ে ৭৫ জনের নামে মিথ্যা মামলা দায়ের আওয়ামী সরকারের ক্ষমতা দীর্ঘস্থায়ী করার নীল নকশার অংশ।

সারাদেশে যখন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিদেশে সুচিকিৎসা এবং নি:শর্ত মুক্তির দাবীতে মহা সমাবেশ অনুষ্ঠিত হচ্ছে জনগণের দৃষ্টিকে ভিন্ন দিকে সরানোর জন্য বিরোধী দলের সমাবেশের উপর ১৪৪ ধারা জারী ও শান্তিপূর্ণ সমাবেশে পুলিশের শত শত রাউন্ড গুলি বর্ষণ এবং গতকাল চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধনে পুলিশের হামলা একই সূত্রে গাঁথা। সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে মিথ্যা মামলায় সাজা দিয়ে বিএনপির চেয়ারপার্সন, চার বারের প্রধানমন্ত্রী ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে বন্দি করে রেখে হত্যার অপচেষ্টা করা হচ্ছে। আজ তিনি গুরুতর অসুস্থ, বর্তমান সময় সংকটময় ও সমস্যাদীর্ণ গণতন্ত্রের সময় কিন্তু মানুষ আর বসে থাকছে না, জেলায় জেলায় ১৪৪ ধারা ভেঙ্গে বেরিয়ে আসছে মানুষ। বিএনপি যেখানেই সমাবেশ দিচ্ছে সেখানেই মানুষের ঢল নামছে। কর্তৃত্ববাদী হিংস্র শাসন ব্যবস্থার বিরুদ্ধে দেশের মানুষ কঠিন সংগ্রামে অঙ্গীকারাবদ্ধ। পুলিশের অতর্কিত লাঠিচার্জে খুলশী থানা যুবদলের সদস্য মিজানুর রহমানসহ বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের অসংখ্য নেতাকর্মী গুরুতর আহত হন।

নেতৃবৃন্দ বিবৃতিতে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ প্রশাসনকে উদাত্ত আহবান জানান দেশ ও গণতন্ত্রের স্বার্থে আইন অনুযায়ী নিজেদের স্বীয় দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনের জন্য। অনতিবিলম্বে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করে আইন অনুযায়ী গ্রেফতারকৃত ৪৯ জন নেতাকর্মীদের মুক্তি দিন। অন্যথায় রাজপথেই ফয়সালা হবে। ভোটারবিহীন সরকারের দিন শেষ, ভোট ডাকাতির দিন শেষ। বংলাদেশের জনগণ তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় রাজপথে নেমে গেছে। বিশ্ববিবেক জেগে উঠেছে। যেভাবে অবরুদ্ধের খবর আসছে তাতে অনেক মন্ত্রী এমপি ও আমলাদের বিদেশে পালানোর রাস্তাও আর খোলা নেই। গণতন্ত্রের জয় অবশ্যম্ভাবী।

Advertisement