অ আ আবীর আকাশ, লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধিঃ মানসিক প্রতিবন্ধী সন্তান মাকে হত্যা করার পর মরদেহ পুড়িয়ে ভস্মীভূত করে ফেলছে। ঘটনাটি ঘটেছে লক্ষ্মীপুর জেলার রামগঞ্জ উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নের আশারকোট গ্রামের ওয়াহেদ আলী পাটোয়ারী বাড়িতে । গতকাল বুধবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাতের কোনো এক সময় উক্ত মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটানো হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মিলন গত ২ বছর ধরে মানসিক রোগে আক্রান্ত। দু’বার তাকে ঢাকায় নিয়ে চিকিৎসা করানো হলেও তার কোনো উন্নতি হয়নি। আমেনা বেগমের সঙ্গে মিলন একই ঘরে থাকতো। সে সুবাধে রাতের কোনো এক সময় মিলন বৃদ্ধ মাকে কুপিয়ে কম্বল পেঁচিয়ে আগুন লাগিয়ে দেয়। ভোর বেলাতে ঘর থেকে ধোঁয়া উড়তে দেখে আশপাশের
লোকজন জড়ো হতে থাকে। একপর্যায়ে ঘরে ঢুকে দেখতে পায় বৃদ্ধ আমেনার দেহ আগুনে পুড়ছে। পা ও শরীরের কিছু হাড় ছাড়া বাকি অংশ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। পুলিশ পুড়ে যাওয়া মরদেহ ও হত্যায় ব্যবহৃত দা উদ্ধার করেছে।
স্থানীয় লোকজন জানায়, মিলনের বাবা প্রবাসী ছিলেন। তিনি কয়েকবছর আগে বিদেশেই মারা যান। তার আরও দুই ছেলের মধ্যে একজন প্রবাসী ও আরেকজন ঢাকায় চাকরি করেন।
রামগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমদাদুল হক বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে নিহতের ছেলেকে আটক করা হয়েছে। শুনেছি সে মানসিকভাবে অসুস্থ। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহও উদ্ধার করা হয়েছে। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।














