পড়ালেখার পাশাপাশি শিশুদেরকে বিনোদনে উৎসাহিত করতে হবে: পেয়ারুল ইসলাম

166

চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এটিএম পেয়ারুল ইসলাম বলেছেন, আজকের শিশুরা আগামী দিনের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ। পড়ালেখার পাশাপাশি তাদেরকে আনন্দ-বিনোদনে উৎসাহিত করতে হবে। শিশুদের ন্যায্য অধিকার রক্ষাসহ বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়তে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশে কোন শিশু আনন্দ-বিনোদন থেকে বঞ্চিত হবেনা। তাদেরকে অসাম্প্রদায়িক চেতনায় বেড়ে উঠার সুযোগ সৃষ্টি করে দিতে হবে। শিশুদেরকে নীতি-নৈতিকতা শিখাতে হবে।

Advertisement

আজ ৮ অক্টোবর রোববার সকাল ১০টায় বিশ্ব শিশু দিবস ও শিশু অধিকার সপ্তাহ-২০২৩ এর সমাপনী অনুষ্ঠান উপলক্ষে নগরীর ও.আর.নিজাম রোডস্থ জেলা শিশু একাডেমি মিলনায়তনে আয়োজিত আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সরকারের মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের নির্দেশনায় ও চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় জেলা শিশু একাডেমি আয়োজিত দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য বিষয় হচ্ছে-“শিশুর জন্য বিনিয়োগ করি, ভবিষ্যতের বিশ্ব গড়ি”।

অনুষ্ঠানে বিশ্ব শিশু দিবস ও শিশু অধিকার সপ্তাহ উপলক্ষে আয়োজিত বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার ও সনদপত্র বিতরণ করেন প্রধান অতিথি।

এটিএম পেয়ারুল ইসলাম বলেন, প্রত্যেক শিশুর নেতৃত্ব বিকাশে এখন থেকে স্কুল পর্যায়ে উদ্যোগ নিতে হবে। শিশু অধিকার যাতে লংঘিত না হয় সে বিষয়ে সকল অভিভাবকসহ সংশ্লিষ্টদেরকে আরো সচেতন হতে হবে। শিশু সুরক্ষায় সরকারের পাশাপাশি বেসরকারী সংস্থা ও সংগঠনগুলো এগিয়ে আসলে শিশু নির্যাতন বন্ধসহ শিশুশ্রম আইন ও শিশু নীতি বাস্তবায়ন হবে।

শিশু একাডেমির জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা মোঃ মোছলেহ উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা সংসদ চট্টগ্রাম জেলা ইউনিটের ভারপ্রাপ্ত কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা একেএম সরোয়ার কামাল দুলু, সমবায় অধিদপ্তরের ডেপুটি রেজিস্টার মোঃ দুলাল মিয়া, বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা ইলমা’র প্রধান নির্বাহী নারী নেত্রী জেসমিন সুলতানা পারু, ঘাসফুল’র সমন্বয়কারী মোঃ সিরাজুল ইসলাম। বক্তব্য রাখেন প্রবর্তক স্কুল এন্ড কলেজের ৭ম শ্রেণীর ছাত্র সত্যজিৎ ভৌমিক ও লতিফপুর আলহাজ আব্দুল জলিল হাই স্কুলের ৮ম শ্রেণীর ছাত্রী জন্নাতুল ফেরদৌস দিহান।

সবশেষে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে শিশু একাডেমির বিভিন্ন বিভাগের প্রশিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও বিভিন্ন বেসরকারী সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

Advertisement