অভিভাবক পেল চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়!

171

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পরবর্তী এ যাবৎকাল পর্যন্ত মোট ২০জন উপাচার্য দায়িত্ব পালন করেছেন। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০ তম উপাচার্য অধ্যাপক ডক্টর মুহাম্মদ ইয়াহিয়া আখতার! তার নিয়োগের বিষয় টি তিনি নিজে গণমাধ্যম কে নিশ্চিত করেছেন। একজন বিশিষ্ট বাংলাদেশি অধ্যাপক ও গবেষক, যিনি ১৯৮২ সাল থেকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগে শিক্ষকতা করছেন। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ভিসি) হিসেবে তাকে নিয়োগ দিয়েছে বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। ১২ সেপ্টেম্বর সরকার তাকে চার বছরের মেয়াদে এই পদে নিয়োগ দেয়।

Advertisement

মুহাম্মদ ইয়াহ্ইয়ার বাড়ি বাংলাদেশের খুলনা জেলায়।মুহাম্মদ ইয়াহিয়া আখতার রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে বিএ (অনার্স) এবং এমএ ডিগ্রি অর্জন করেন। এরপর, তিনি কানাডার ইউনিভার্সিটি অব ওয়াটারলু থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে দ্বিতীয় এমএ ডিগ্রি সম্পন্ন করেন। পরে, তিনি অস্ট্রেলিয়ার ইউনিভার্সিটি অব সিডনি থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।

ড. আখতার একাডেমিক কাজের পাশাপাশি সামাজিক ও গবেষণামূলক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সাথে সক্রিয়ভাবে জড়িত। তিনি ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ-এর সদস্য এবং রিসার্চ সোসাইটি অব বাংলাদেশ-এর যুগ্ম মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া, তিনি ইয়ুথ ফোরাম ফর ডেমোক্রাসির চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করছেন।

এর আগে মোট ১৯ জন উপাচার্য চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় দায়িত্ব পালন করেন তারা হলেন-প্রফেসর আজিজুর রহমান মল্লিক, প্রফেসর ইউ এন সিদ্দিকী (ভারপ্রাপ্ত), প্রফেসর এম ইন্নাস আলী, প্রফেসর আবুল ফজল, প্রফেসর আব্দুল করিম, প্রফেসর এম এ আজিজ খান, প্রফেসর মোহাম্মদ আলী, প্রফেসর আলমগীর মোহাম্মদ সিরাজুদ্দীন, প্রফেসর রফিকুল ইসলাম চৌধুরী, প্রফেসর আবদুল মান্নান, প্রফেসর মোহাম্মদ ফজলী হোসেন, প্রফেসর এ জে এম নূরুদ্দীন চৌধুরী, প্রফেসর এম বদিউল আলম, প্রফেসর আবু ইউসুফ, প্রফেসর মোহাম্মদ আলাউদ্দীন (ভারপ্রাপ্ত), প্রফেসর আনোয়ারুল আজিম আরিফ, প্রফেসর ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী, প্রফেসর শিরীণ আখতার, প্রফেসর মো. আবু তাহের।

সূত্র বলছে প্রফেসর এ জে এম নূরউদ্দিন চৌধুরীর পরে যে ক’জন ভিসি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের হাল ধরেছেন তারা কোন কোন পন্থায় বির্তকের জন্ম দিয়েছে!

সাবেক ছাত্র নেতা ও ডক্টর অব ফিলোসফি (পিএইচডি, পিএই. ডি গবেষক সোহরাওয়ার্দী আজাদ সুমন বলেন, সময়ের চাহিদার কথা বিবেচনায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় যোগ্য একজন অভিভাবক পেয়েছে, ওনার সুযোগ্য নেতৃত্ব, মেধা ও প্রজ্ঞাকে কাজে লাগিয়ে সুন্দর আগামীর পথে এগিয়ে যাবে প্রাণের বিদ্যা পিঠ। তবে কিছুটা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে তাহল গত ১৫ বছরে স্বৈরশাসক সারা দেশে তার একনায়ক তন্ত্রের যে বীজ বপন করেছে তা থেকে বাদ যাইনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এ জঞ্জাল পরিস্কার করে শিক্ষার সুষ্ট পরিবেশ নিশ্চিত করা একটু কঠিন হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে আগামীকাল রবিবার যে কোন সময় প্রজ্ঞাপন জারি হতে পাবে।

Advertisement