হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির ও হাটহাজারী মাদ্রাসার শিক্ষা পরিচালক শায়খুল হাদিস আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী ইন্তেকাল করেছেন। (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজেউন)। তিনি বৃহস্পতিবার (১৯ আগষ্ট) চট্টগ্রাম মহানগরীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন।
আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরীর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান মীর মো. নাছির উদ্দীন, বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা বেগম রোজী কবির, গোলাম আকবর খন্দকার, এস এম ফজলুল হক, চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহবায়ক ডা. শাহাদাত হোসেন, সদস্য সচিব আবুল হাশেম বক্কর, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক আবু সুফিয়ান, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মোস্তাক আহমেদ খান।
এক শোক বার্তায় নেতৃবৃন্দ বলেন, জুনায়েদ বাবুনগরীর মৃত্যুর সংবাদ আমাদের জন্য অত্যন্ত বেদনার। তিনি ছিলেন একজন ইসলামি শিক্ষাবিদ, লেখক, গবেষক ও আধ্যাত্মিক ব্যক্তিত্ব। তিনি হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমীর ছাড়াও বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশের সহ-সভাপতি ও চট্টগ্রাম নূরানী তালীমুল কুরআন বোর্ডের চেয়ারম্যান ছিলেন। এছাড়াও তিনি নাজিরহাট বড় মাদ্রাসার মুতাওয়াল্লী সহ কয়েকটি সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের নেতৃস্থানীয় পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। মুসলিম নেতা হিসেবে তিনি দেশব্যাপী ব্যাপক জনপ্রিয় ছিলেন। তিনি ২০১৩ সালের হেফাজত আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়ে কারাবরণ করেছিলেন। আল্লামা আহমদ শফীর ইন্তেকালের পর হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের হাল ধরেন আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী। তার মৃত্যুর সংবাদে চট্টগ্রামসহ সারাদেশে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তার মৃত্যুতে যে শূণ্যতার সৃষ্টি হয়েছে তা সহজে পূরন হবার নয়। ধর্মীয় শিক্ষায় তার অবদানের কথা দেশবাসী আজীবন শ্বরণে রাখবে।
নেতৃবৃন্দ মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকাহত পরিবার, আত্মীয়স্বজনের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
















