রাজধানীর শ্যামলীস্থ শ্যামলী ক্লাব ক্রিকেট মাঠে কিংবদন্তী ক্রিকেট কার্নিভ্যাল সিজন-৩ এর ফাইনালে চট্টগ্রাম উইজার্ডকে ৫ রানে পরাজিত করে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ান হিসেবে প্রথম বারের মত টুর্নামেন্টের শিরোপা জয় করে টিম ব্যাকবেঞ্চারস।
শুক্রবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে গ্রুপের বিপুল সংখ্যক বন্ধু ও দর্শকের উপস্থিতে খেলা শুরু হয়।
গত ১৯ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত প্রথম সেমিফাইনালে চট্টগ্রাম উইজার্ড ৩ উইকেটে ডি এম স্মেশারসকে পরাজিত করে। অপর সেমিফাইনালে টিম ব্যাকবেঞ্চারস ১৩ রানে নওয়াব অব ওল্ড ঢাকাকে পরাজিত করে।
আমরাই কিংবদন্তী (এসএসসি ২০০০ এবং এইচএসসি ২০০২) একটি অনলাইন ভিত্তিক ফেসবুক গ্রুপ, যেখানে সারা বাংলাদেশের এসএসসি ২০০০ এবং এইচএসসি ২০০২ সালের ছাত্র-ছাত্রীদের একত্র করে একক প্লাটফর্মে এনে মানব কল্যাণে কাজ করার প্রয়াসে এগিয়ে চলেছে।

বন্ধুদের একত্রিত করার প্রয়াসের ধারাবাহিকতা থেকে টানা তৃতীয়বারের মত সারা দেশ থেকে ২১ টি দল নিয়ে গত ৭, ১৪, ১৫, ২১, ২২, ২৮ জানুয়ারী ও ৪, ১১, ১২, ১৮, ১৯ ফেব্রুয়ারী কিংবদন্তী ক্রিকেট কার্নিভ্যাল সিজন-৩ এর গ্রুপ পর্ব, কোয়ার্টার ফাইনাল ও সেমিফাইনাল অনুষ্ঠিত হয়।
উল্লেখ্য যে, এই আয়োজনে অতিথি হিসিবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক ও তারকা ক্রিকেটার মোহাম্মদ আশরাফুল, ইলেক্ট্রো মার্ট’র জিএম মাহমুদ-উন-নাবী ও আমরাই কিংবদন্তী গ্রুপের এডমিন ও ক্রিয়েটর নাজমুল হোসেন সহ আরো অনেকে।
টুর্নামেন্ট এর সেরার কৃতিত্বের জন্য ম্যান অব দা টুর্নামেন্ট পুরস্কার পায় চট্টগ্রাম উইজার্ড এর অলরাউন্ডার সুমন সাহা ও অন্যতম ভ্যালুয়েবল প্লেয়ার এর পুরস্কার পায় টিম ব্যাকবেঞ্চারস এর অধিনায়ক জাহিদ হাসান খান। ম্যান অব দা ফাইনাল পুরস্কার পান টিম ব্যাকবেঞ্চারস এর ইমরান

এই আসরের টাইটেল স্পন্সর ছিল “কনকা ফ্রিজ”।
দেশজুড়ে বন্ধুদের অংশগ্রহনে আয়োজিত এই ক্রিকেট খেলার মাধ্যমে নিজেদের ভাতৃত্ববোধ ও সম্প্রীতি বৃদ্ধির মাধ্যমে পরবর্তী সময়ে মানব কল্যাণে কাজ করাই এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য।
উল্লেখ্যযে “মানবতার কল্যাণে কিংবদন্তী সবখানে” এই নীতিকথা থেকেই ১৫ নভেম্বর ২০১৭ থেকে যাত্রা শুরু করে বর্তমানে ৪৫ হাজার সদস্যের অনলাইন পরিবারটি আগামীর পথে এগিয়ে চলেছে। এই অনলাইন গ্রুপ এর মানবিক কার্যক্রমকে ত্বরান্বিত করতেই “আমরাই কিংবদন্তী ফাউন্ডেশন” ২০১৯ সালের ৫ সেপ্টেম্বর যৌথ মূলধনী কোম্পানী ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তর হতে নিবন্ধিত হয়।
এই গ্রুপটি এর আগেও সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে বিভিন্ন সামাজিক কাজে নিজেদের নিয়োজিত রেখেছিল; তারমধ্যে অন্যতম হচ্ছে দেশ জুড়ে পরিচ্ছন্নতা ও জনসচেতনতা, প্রতিবন্ধী শিশুদের সহায়তা কার্যক্রম, ফ্রি হেলথ ক্যাম্প, অসহায় মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র, নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস সরবরাহ ও খাবার বিতরণ, বৃদ্ধাশ্রমে চিকিৎসা ও খাবার সরবরাহ এবং রক্তদান কর্মসূচীসহ বিবিধ কার্যক্রম।
একটি অনলাইন ভিত্তিক গ্রুপ হয়েও বন্ধুরা শুধু অনলাইনেই সীমাবদ্ধ না থেকে দেশের, সমাজের বিভিন্ন কাজে এগিয়ে এসেছে বন্ধুদের গ্রুপটি। এর সাথে যুক্ত হয়েছে সমাজের কিছু সচেতন সু-নাগরিক, যারা এই গ্রুপটি কে প্রতিনিয়ত ভালো কাজে উৎসাহ দিচ্ছে।
ধারাবাহিক ভাবে গ্রুপের পিছিয়ে পড়া সদস্যসহ দেশের প্রতিটি অঞ্চলের অসহায় মানুষদের পাশে চিকিৎসা সেবা সহ সকল মৌলিক সেবা পৌঁছে দিতে পরিকল্পনা করছে এই গ্রুপের সদস্যরা।

















