কেন্দ্রীয় শ্রমিকদলের উপদেষ্টা, চট্টগ্রাম বিভাগীয় শ্রমিকদলের সহ সভাপতি ও চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক সহ সাধারণ সম্পাদক শামসুল আলম (ডক) মঙ্গলবার (২৭ ডিসেম্বর) দুপুর সোয়া দুইটার দিকে নগরীর আগ্রাবাদস্থ মা ও শিশু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। (ইন্নালিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাইহে রাজেউন)।
তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৭ বছর। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ১ ছেলে ও ২ মেয়ে সহ অসংখ্য গুণগ্রাহী, আত্মীয় স্বজন ও রাজনৈতিক সহকর্মী রেখে গেছেন।
মঙ্গলবার রাত সাড়ে আটটায় নগরীর ৩ নং ফকিরহাট ওয়ারিশ সওদাগর জামে মসজিদে মরহুমের নামাজে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।
এদিকে বিএনপি নেতা শামসুল আলমের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান মীর মো. নাছির উদ্দীন, চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা বেগম রোজী কবির, গোলাম আকবর খন্দকার, এস এম ফজলুল হক, চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহবায়ক ডা. শাহাদাত হোসেন, সদস্য সচিব আবুল হাশেম বক্কর, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক আবু সুফিয়ান ও সদস্য সচিব মোস্তাক আহমেদ খান।
এক শোক বার্তায় নেতৃবৃন্দ বলেন, শামসুল আলমের মৃত্যুতে আমরা গভীরভাবে শোকাহত ও ব্যথিত। তিনি বিএনপির একজন নিবেদিত প্রাণ নেতা ছিলেন। তিনি চট্টগ্রামের বন্দর সিবিএ’র সভাপতি হিসেবে একজন দায়িত্বশীল শ্রমিক নেতা ছিলেন। চট্টগ্রামে বিএনপি ও শ্রমিকদলকে শক্তিশালী সংগঠনে পরিনত করতে তিনি গুরুতপূর্ন ভূমিকা রেখেছিলেন। সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলন সংগ্রামে তিনি সাহসী নেতৃত্ব দিয়েছেন। তার মৃত্যু আমাদের জন্য অত্যন্ত বেদনার। তার মৃত্যুতে বিএনপি দলের একজন যোগ্য নেতাকে হারালো। তার মৃত্যুতে যে শূণ্যতার সৃষ্টি হবে তা সহজে পূরন হবার নয়। দলের প্রতি তার অবদান বিএনপি আজীবন স্বরণে রাখবে।
নেতৃবৃন্দ মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকাহত পরিবার, আত্মীয়স্বজনের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

















