চট্টগ্রাম নগরের ইটন গ্রামার স্কুল এর বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও মহান মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে চিএাংকন প্রতিযোগিতায় পুরস্কার বিতরণ স্কুল প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত হয়।
মঙ্গলবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে ইটন গ্রামার স্কুলের অধ্যক্ষ জান্নাতুল ফেরদৌস’র সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি ছিলেন কাউন্সিলর অধ্যাপক মো.ইসমাইল।
এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন শিক্ষিকা স্বপ্না রানী দাশ, প্রিয়াকা কারন, জেসমি চাকমা, রহিমা আকতার মোহনা, অপর্না রুদ্র, রুমি ভৌমিক, শিমু রানী, ফাহমিদা প্রমুখ।
এসময় প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, পাঠ্য পুস্তক পড়ে ভাল ফলাফল করা যায় কিন্তু প্রকৃত জ্ঞান অর্জন করা যায়না বলে মন্তব্য করেছেন কাউন্সিলর অধ্যাপক মো.ইসমাইল।
তিনি বলেন, সমগ্র বিশ্বে একমাত্র বাঙালিই এমন একটি গর্বিত জাতি যারা মায়ের ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবীতে বুকের রক্ত ঢেলে দিয়েছিলো। সকল জাতিই চায় মাতৃভাষার স্বীকৃতি। তাই বিশ্বসভায় ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। এটা বাঙালির একটি মহতী অর্জন। তিনি বলেন,সমাজে যারা ভালো কাজ করে তাদের আমরা ভুলে যাই কিন্তু প্রকৃতি তাদের ভুলে যায় না।
ইসমাইল বলেন, বই পৃথিবীর সমস্ত জ্ঞানকে এক জায়গায় নিয়ে আসে তাই বইএর কোনো বিকল্প নেই। তিনি বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী পড়ে নিজেকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শে গড়ে তোলার জন্য শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি শিক্ষক ও অভিভাবকদের ছেলে মেয়েদের মুক্তিযুদ্ধের গল্প শুনানোর জন্য অনুরোধ করেন। তিনি শিক্ষার্থীদের অমর একুশে বইমেলায় গিয়ে একটা বই কিনতে বলেন। বড় বড় জ্ঞানী গুণী ও মনিষীদের মতো হতে চাইলে পাঠ্য বইয়ের পাশাপাশি অন্য বই পড়তে হবে। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের মাঝে বই বিতরণের উদ্দেশ্য হচ্ছে শিক্ষার্থীরা যাতে পাঠ্য বইয়ের পাশাপাশি অন্য বই পড়তে অভ্যস্ত হয়ে উঠে।

















