শহীদ জিয়ার ১ম সমাধিস্থলে ছাত্রদলের শ্রদ্ধাঞ্জলিতে প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল

একাত্তর পরবর্তী লুটপাটের শাসনব্যবস্থা দমন করে উন্নয়নের শাসনব্যবস্থা ফিরিয়ে এনেছিলেন শহীদ জিয়া

42

ভূমি মন্ত্রণালয় ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি বলেছেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান মহান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন, রণাঙ্গনে যুদ্ধ করেছিলেন এবং যুদ্ধ শেষে তিনি নিজ পেশায় ফেরত গিয়েছিলেন। তিনি শুধুমাত্র দেশের জন্য লড়েছিলেন। ক্ষমতার প্রতি তাঁর কোন লোভ ছিল না। একাত্তর পরবর্তী রাষ্ট্রের দায়িত্ব নিয়েছিল যারা তাদের একটি পক্ষ যুদ্ধের সময় ভারতে আনন্দ ফূর্তি করেছিল ও তাদের নেতা শেখ মুজিব নিজের পরিবারকে পাকবাহিনীর কাছে আশ্রয়ে রেখে আত্মসমর্পণ করেছিল। প্রকৃতপক্ষে যাঁরা জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করেছিল তারা ক্ষমতার স্বাদ গ্রহণ করেনি। বরং স্বাধীনতা পরবর্তী প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধারা শোষণ ও বঞ্চনার শিকার হয়েছিলেন। একাত্তর পরবর্তী লুটপাটের শাসনব্যবস্থা দমন করে উন্নয়নের শাসনব্যবস্থা ফিরিয়ে এনেছিলেন শহীদ জিয়া।

Advertisement

আজ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম এর ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকীতে রাঙ্গুনিয়াস্থ জিয়ানগরে ১ম সমাধিস্থলে চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রদলের শ্রদ্ধাঞ্জলিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক (চট্টগ্রাম বিভাগ) মীর হেলাল আরো বলেছেন, ওয়ান ইলেভেন কুচক্রী মহলের ষড়যন্ত্রের আওয়ামী ফ্যাসিবাদী সরকার উন্নয়নের নামে দেশে লুটপাটের শাসনব্যবস্থা কায়েম করেছিল। রাষ্ট্রের সকল উন্নয়ন কাঠামো ভেঙে দেশকে অর্থনৈতিকভাবে পঙ্গু করেছে ফ্যাসিস্ট সরকার।

প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল আরো বলেছেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ উন্নয়নের ধারায় এগিয়ে যাচ্ছে। ক্ষমতা রাষ্ট্রের নয়, জনগণের। জনগণকে প্রকৃত অর্থে ক্ষমতায়ন ও অর্থনৈতিক মুক্তি নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার।

এসময় চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রদলের আহবায়ক সাইফুল আলমের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব শরিফুল ইসলাম তুহিনের সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক যথাক্রমে আসিফ চৌধুরী লিমন, শহিদুল ইসলাম সুমন, সাব্বির আহমেদ, এম‌এ হাসান বাপ্পা, মোহাম্মদ আনাছ, নুর জাফর নাঈম রাহুল, ফখরুল ইসলাম শাহীন, সদস্য আব্বাস উদ্দিন সহ বিভিন্ন থানা, কলেজ ও ওয়ার্ড ছাত্রদল নেতৃবৃন্দ।

Advertisement