পিআইডিতে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আলোচনা ও দোয়া মাহফিল

3

রনজিত কুমার শীল: আঞ্চলিক তথ্য অফিস, পিআইডি চট্টগ্রামের উদ্যোগে অফিসের সম্মেলন কক্ষে আজ ৪ আগস্ট মঙ্গলবার জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

Advertisement

সভায় সভাপতিত্ব করেন আঞ্চলিক তথ্য অফিস, চট্টগ্রামের উপপ্রধান তথ্য অফিসার (রুটিন দায়িত্ব) বাপ্পী চক্রবর্তী। তথ্য অফিসার জি.এম সাইফুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সরকারের উপসচিব ও কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড চট্টগ্রামের পরিচালক মোঃ নিজাম উদ্দিন, বাংলাদেশ বেতার চট্টগ্রামের আঞ্চলিক পরিচালক শাহিন আকতার, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মোঃ শাহনাওয়াজ, মেট্রোপলিটন কৃষি অফিসার পার্বতি রানী মিত্র, জেলা জনশক্তি ও কর্মংসংস্থান অফিসের সহকারী পরিচালক মাহেন্দ্র চাকমা, সহকারী বিস্ফোরক পরিদর্শক মোঃ সাখাওয়াত হোসেন, বিটিভি চট্টগ্রাম কেদ্রর বার্তা প্রযোজক আমজাদ হোসেন, বিস্ফোরক দপ্তরের টেকনিশিয়ান সহকারী আবদুর রহমান পিয়াস বক্তৃতা করেন।

দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন সরকারি সিজিএস কলোনি জামে মসজিদের খতিব মাওলানা আবু হানিফা মোঃ নোমান। সভার শুরুতে জুলাই শহিদদের রুহের মাগফেরাত কামনায় এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।

সভায় কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড চট্টগ্রামের পরিচালক ও উপসচিব মোঃ নিজাম উদ্দিন বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনায় মেধার যথাযথ মূল্যায়ন, সুশাসন, জবাবদিহিতা ও আইনের সমান প্রয়োগ নিশ্চিত করা না গেলে শহীদদের আত্মত্যাগের প্রকৃত মর্যাদা দেওয়া সম্ভব হবে না। তিনি উল্লেখ করেন, দীর্ঘদিনের বৈষম্য ও অনিয়মের বিরুদ্ধে তরুণ সমাজ যে আত্মত্যাগ করেছে, তা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা হয়ে থাকবে। তিনি সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশ্যে বলেন, দায়িত্ব পালনে সততা, নিরপেক্ষতা, প্রতিশ্রুতি রক্ষা, সুন্দর আচরণ, জ্ঞানচর্চা, আত্মসংযম, ক্ষমাশীলতা, কৃতজ্ঞতা এবং ইতিবাচক মানসিকতা ধারণ করতে হবে।

সভাপতির বক্তৃতায় আঞ্চলিক তথ্য অফিস, চট্টগ্রামের উপপ্রধান তথ্য অফিসার (রুটিন দায়িত্ব) বাপ্পী চক্রবর্তী জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন এবং সরকার স্বীকৃত ৮৩৬ জন জুলাই শহিদ ও প্রায় ২২ হাজার আহত জুলাই যোদ্ধার প্রতি সম্মান জানান।

তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান কেবল একটি আন্দোলন নয়, এটি ছিল ন্যায়, সুশাসন, জবাবদিহিতা ও দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য তরুণ সমাজের আত্মত্যাগের এক ঐতিহাসিক অধ্যায়। আবু সাঈদ, ওয়াসিম, শান্ত, হৃদয় চন্দ্রসহ অসংখ্য শহীদের আত্মত্যাগ দেশের মানুষের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।

আলোচনা সভা এবং দোয়া মাহফিলে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ অংশ নেন।

Advertisement