প্রকৃতিকে বাঁচানোর মন্ত্রণা ছড়িয়ে পড়েছে দিকে দিকে মুক্তির মন্ত্রণা ছড়িয়ে পড়েছে দিকে দিকে। এ এক নতুন লড়াই। প্রকৃতিকে বাঁচানোর লড়াই। সিআরবিকে ঘিরে চট্টগ্রামের শত বছরের পুরনো যে সবুজ বৃক্ষরাজি আছি, তাদের বাঁচানোর লড়াইয়ে শামিল হয়েছে আমজনতা।
আজ সোমবার (৩০ আগস্ট) নাগরিক সমাজ, চট্টগ্রামের কেউ ছিলেন না প্রথম দিকে। কিন্তু ঠিকই মাইক্রোফন হাতে তুলে নিয়েছে মুহাম্মদ আনোয়ার হোসেন পলাশ নামে এক তরুণ। তার সঞ্চালনায় একে একে যুক্ত হয়েছেন তরুণ, যুবকসহ নানা শ্রেণী পেশার মানুষ। নাগরিক সমাজ, চট্টগ্রামের চেয়ারম্যান বরেণ্য সমাজবিজ্ঞানী প্রফেসর ড. অনুপম সেন, সদস্যসচিব এডভোকেট ইব্রাহিম হোসেন বাবুলসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ এসে এ দৃশ্য দেখে অভিভুত!
তাঁরা অনুধাবন করতে পেরেছেন, একাত্তরের রণাঙ্গণে সেই আহত মুক্তিযোদ্ধার রাইফেলটি কাঁধে নিয়ে তার সাথের মুক্তিযোদ্ধা যেমন একের পর এক গুলি ছুঁড়ে শত্রু নিধন করেছিলেন, ঠিক সেভাবেই যেন আজ নেতৃবৃন্দের অনুপস্থিতিতে অনুষ্ঠান চালিয়ে নিয়ে গেছেন, এ প্রজন্মের কিশোর তরুণ, যারা নতুন প্রজন্মের মুক্তিযোদ্ধা। তা দেখে প্রফেসর ড. অনুপম সেন বলেন, আমাদের লক্ষ্যে আমরা অবিচল, বিজয় আমাদের সুনিশ্চিত। আজকের কর্মসূচি তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। আজকের তরুণ প্রজন্ম বুঝিয়ে দিয়েছে, তারা সবুজকে কতো ভালোবাসে। তারা সিআরবি রক্ষায় কতোটা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।
অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন, আওয়ামীলীগ নেত্রী জেনিফার রহমান, কবি ও সাংবাদিক ঋত্বিক নয়ন, এডভোকেট শাহরিয়ার তানিম, চট্টগ্রাম শিল্পকলা একাডেমির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাঈন উদ্দিন কোহেল, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের মোহাম্মদ রেজাউল আলম, কৃষক লীগ নেতা হুমাযূন কবীর মাসুদ,ছাত্রলীগ নেতা এম এ মনির, এম আর হৃদয়, আরাফাতুল মান্নান ঝিনুক প্রমুখ।
সঙ্গীত পরিবেশন করেন শিল্পী নারায়ণ দাশ ও পরদেশী রুবেল। উপস্থিত ছিলেন, নাগরিক সমাজ, চট্টগ্রামের পক্ষে মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ ইউনুস, কবি কামরুল হাসান বাদল, বিএফইউজের যুগ্ম মহাসচিব কাজী মহসীন, আবৃত্তি শিল্পী রাশেদ হাসান, সংস্কৃতি কর্মী স্বপন সেন, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক শুকলাল দাশ, সাবেক ছাত্র নেতা মো. শাহজাহান চৌধুরী, নূরুল আজিম রণি, আবৃত্তি শিল্পী প্রনব চৌধুর, তাপস পাপ্পু, সৌরভ শুভ্র প্রমুখ।
















