শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বহুল প্রতিক্ষিত আরটিপিসিআর ল্যাব স্থাপনের কাজ শুরু করায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপণ করেছে নাগরিক উদ্যোগের প্রধান উপদেষ্টা এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন।
আজ রবিবার (১৯ ডিসেম্বর) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে প্রধানমন্ত্রীর নিকট কৃতজ্ঞতা জানান সুজন।
এসময় তিনি বলেন করোনাভাইরাস সংক্রমণ এড়াতে মধ্যপ্রাচ্যগামী ফ্লাইট উড্ডয়নের ৬ ঘন্টা আগে আরটিপিসিআর টেস্টের বাধ্যবাধকতা থাকায় পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ তাদের বিমানবন্দরসমূহে আরটিপিসিআর ল্যাব স্থাপন করে। প্রবাসীরাও আমাদের দেশের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসমূহে আরটিপিসিআর ল্যাব স্থাপনের দাবি জানিয়ে আসছে দীর্ঘদিন ধরে। এরই আলোকে দেশের বিমানবন্দরসমূহে জরুরি ভিত্তিতে আরটিপিসিআর ল্যাব স্থাপনের নির্দেশনা প্রদান করেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার পর শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আরটিপিসিআর ল্যাব স্থাপন করলেও বিভিন্ন জটিলতার কারণে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এতোদিন আরটিপিসিআর ল্যাব স্থাপন করা হয়নি। যার কারণে চট্টগ্রামে অবস্থানরত প্রবাসীরা দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে আরব আমিরাতের বিভিন্ন দেশে তাদের গন্তব্যে যেতে বাধ্য হচ্ছে। ঢাকা শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হয়ে তাদেরকে আরব আমিরাত গমন করতে হলে অতিরিক্ত খরচের পাশাপাশি নানা ধরণের ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। এতে করে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে স্থাপিত আরটিপিসিআর ল্যাবটি চট্টগ্রামের প্রবাসীদের দুঃখ-কষ্ট লাঘবে সত্যিকার অর্থে কাজে আসছে না বলে অভিযোগ প্রবাসীদের। তাই প্রবাসীদের পাশাপশি নাগরিক উদ্যোগও শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আরটিপিসিআর ল্যাব স্থাপনের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষন করতে বিভিন্ন কর্মসূচী পালন করে। অবশেষে গতকাল ১৮ ডিসেম্বর আরটিপিসিআর ল্যাব স্থাপনের জন্য অবকাঠামোগত কাজ শুরু করে। এর ফলে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে গমনকারী যাত্রীরা আরটিপিসিআর ল্যাবের মাধ্যমে বিমানবন্দরেই তাদের কাংখিত করোনার পরীক্ষা করতে পারবে। এতে করে এ বিমানবন্দর দিয়ে চলাচলকারী চট্টগ্রামের প্রবাসীরা তাদের দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পাবেন। তবে এক্ষেত্রে যেনো কোন প্রকারের কালক্ষেপণ না হয় সেদিক দৃষ্টি রাখার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি উদাত্ত আহবান জানান তিনি।
আরটিপিসিআর ল্যাব স্থাপন নিয়ে প্রবাসীরা যাতে কোন প্রকার ভোগান্তিতে না পড়েন সেজন্য বিমানবন্দর সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
কৃতজ্ঞতা বার্তায় সুজন আরটিপিসিআর ল্যাব স্থাপনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যগামী দেশগুলোর ফ্লাইটের অতিরিক্ত ভাড়া কমাতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
তিনি বলেন, হঠাৎ করেই সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যগামী দেশগুলোর ফ্লাইটের ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকা মূল্যের বিমান ভাড়া ৭০ থেকে ৯৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যগামী রেমিট্যান্স যোদ্ধা খ্যাত প্রবাসীরা আর্থিকভাবে চরম বিপাকে পড়েছেন।এয়ারলাইন্সগুলোর অযৌক্তিক বিমান ভাড়া বৃদ্ধির ফলে প্রবাসীরা অসহায় হয়ে পড়েছেন। অথচ পার্শ্ববর্তী ভারত, পাকিস্তান, নেপাল কিংবা শ্রীলঙ্কা হতে মধ্যপ্রাচ্যগামী দেশগুলোর বিমানের টিকেটের মূল্য ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা।
এমতাবস্থায় বাংলাদেশ থেকে মধ্যপ্রাচ্যগামী বিমানের ভাড়া কমাতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা একান্ত কামনা করেন সুজন।
















