সীতাকুণ্ড প্রতিনিধি: সীতাকুণ্ডে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে মোঃ রাজু (৩০) নামে এক যুবককে ইট ও লাঠি-সোটা দিয়ে পিটিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করেছে তারই প্রতিবেশি।
শুক্রবার (২০মার্চ) রাত ৯টায় উপজেলার মাদামবিবিরহাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার ও একজনকে আটক করেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সন্ধ্যায় ইফতারের আগ মুহুর্তে ছোট একটি গাছ নিয়ে উপজেলার ভাটিয়ারী ইউনিয়নের মাদামবিবিরহাট জাহানাবাদ ২নংওয়ার্ড আবদুল খালেক সারাং বাড়ী দু’পক্ষের মধ্যে তুমুল ঝগড়া শুরু হয়। নিহত রাজুর এক আত্নীয় মোঃ আজম একজনের পক্ষ নিয়ে ঝগড়ায় লিপ্ত হলে তা দেখে রাজু আজমকে বলেন, ইফতারের সময় কেন ঝগড়া করছেন ? এসময় আজম ক্ষিপ্ত হয়ে রাজুকে বলেন আমাকে বাধা দেবার তুই কে? এ নিয়ে রাজুর সাথে আজমের বাকবিতন্ডা সৃষ্টি হয়। পরে সকলে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। কিন্তু এ ঘটনার জেরে রাত ৯টার দিকে মোঃ আজম ও তার চার ছেলে ও আনোয়ার রাজুকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে লাঠি-সোটা ইট দিয়ে মারতে শুরু করে। ইট দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে থেতলে দেবার এক পর্যায়ে ঘটনাস্থলেই রাজুর মৃত্যু হয়।
নিহত রাজু ভাটিয়ারী ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের মাদামবিবিরহাট গ্রামের আব্দুল খালেক সারেং বাড়ির মোঃ হারুনের পুত্র।
রাজুর বোন তাহমিনা আক্তার বলেন, আজম আমার মায়ের মামাত ভাই। তিনি সন্ধ্যায় দু’পক্ষের ঝগড়ায় জড়িয়ে গেলে দাদুকে এসব ঝগড়া থেকে সরাতে চেষ্টা করেন রাজু। কিন্তু তাতে উল্টো হয়ে যায়। রাজু কেন বাধা দিচ্ছে এ কারণে আজম তার সাথেই তুমুল ঝগড়া শুরু করে। পরে রাজু বাড়ি ফিরে আসে। কিন্তু রাত ৯টার দিকে আজম ও তার চার ছেলে বাড়িতে এসে রাজুকে ডেকে নিয়ে ইট ও লাঠি দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করে। এ অবস্থা দেখে আমি (তাহমিনা) ৯৯৯ এ ফোন করে পুলিশে খবর দিলে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার ও আজমকে আটক করে নিয়ে যায়।
সীতাকুণ্ড থানার ওসি মোঃ মহিনুল ইসলাম বলেন, লাশ উদ্ধার করে পোষ্টমর্টেমের জন্য চমেক হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। আজমকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। মামলার প্রক্রিয়া চলছে।
















