কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার সুরাজপুর-মানিকপুর ইউনিয়নের কভিড-১৯ ও সম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত স্থানীয় জনগোষ্ঠীর ১০০ পরিবারের মধ্যে জরুরি খাদ্য ও সুরক্ষা সামগ্রী বিতরন করেন বেসরকারি উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান আইএসডিই বাংলাদেশ।
এউপলক্ষে সুরাজপুর-মানিকপুর ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স এ অনানুষ্ঠানিক অনুষ্ঠানে সুরাজপুর-মানিকপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আজিমুল হক আজিম, আইএসডিই বাংলাদেশ এর নির্বাহী পরিচালক এস এম নাজের হোসাইন, প্যানেল চেয়ারম্যান কামাল হোসেন, আইএসডিই কর্মসূচি সমন্বয়কারী মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, উপজেলা ব্যবস্থাপক জালাল উদ্দীন, স্থানীয় সমাজসেবী রাহুল কান্তি বড়ুয়া, বিএমচর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ নেতা সিরাজুল মোস্তফা সেলিম প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।
যুক্তরাজ্য ভিত্তিক আর্ন্তজাতিক উন্নয়ন সংস্থা ডাব্লুজেআর এর সহায়তায় আইএসডিই প্রদত্ত ত্রানের মধ্যে ছিলো চাল-২৫ কেজি, আলু-৫কেজি, সয়াবিন তৈল-২ লিটার, মরিচ-৫০০গ্রাম, হলুদ-২০০গ্রাম, পেয়াজ-২কেজি, লবন-১কেজি, মসুর ডাল-২কেজি, সাবান-২টি ও মাস্ক-৫টি ইত্যাদি অর্ন্তভুক্ত ছিলো।
উল্লেখ্য কক্সবাজারে সংগঠিত সাম্প্রতিক পাহাড়ী ঢল ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের মাঝে জরুরি খাদ্য সহায়তা হিসাবে এই সহায়তা প্রদান করা হয়। যাতে কভিড সংক্রমন রোধ ও কর্মহীন মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়। কর্মসুচির আওতায় আইএসডিই কক্সবাজারের ১০০০ পরিবারের মাঝে এধরনের সহায়তা অব্যাহত রাখবে।
অনানুষ্ঠানিক বক্তব্যে চেয়ারম্যান আজিমুল হক আজিম কভিড ও বন্যা দুর্গত মানুষের সহায়তায় আইএসডিই সংস্থার মানবিক কাজের প্রশংসা করে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার গুলোর মানবিক কর্মকান্ড সম্প্রসারণের আহবান জানান। কোভিড মোকাবেলায় বর্তমান সরকারের নানা কর্মকান্ডের বর্ণনা প্রদান করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সুযোগ্য নেতৃত্বে দেশ মধ্যআয়ের কাতারে সামিল হচ্ছে। তাই স্বাস্থ বিধি মানতে সকলের প্রতি আহবান জানান ও সরকারের ধারাবাহিকতা রক্ষায় সকল পর্যায়ের জনগনের সার্বিক সহযোগিতার হাত প্রসারের অনুরোধ করেন।
এবিষয়ে আইএসডিই বাংলাদেশ’র নির্বাহী পরিচালক এস এম নাজের হোসাইন বলেন, কভিড ও বন্যায় কক্সবাজারে বিপুল সংখ্যক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সরকারি বেসরকারি ত্রাণ তৎপরতা খানিকটা অপ্রতুল। আইএসডিই স্থানীয় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা হিসেবে বরাবরের মতো বন্যা দু্র্গত ও ক্ষতিগ্রস্থ অসহায় মানুষের পাশে দাড়াতে এই উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। আগামিতেও জেলার অসহায় মানুষের যে কোন সংকটকালীন সময়ে আমাদের প্রতিষ্ঠান এধরনের উদ্যোগ অব্যাহত রাখবে।
















