চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ(সিএমপি) ৩২৩ সন্ত্রাসীর নাম ও পরিচয় প্রকাশ করেছে। যেখানে বিএনপির নির্বাহী কমিটির সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও নগর বিএনপির সদস্য সচিব আবুল হাশেম বক্করের নাম যুক্ত করায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রদলের আহবায়ক মোঃ সাইফুল আলম ও সদস্য সচিব শরিফুল ইসলাম তুহিন।
নেতৃদ্বয় বলেন, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবুল হাশেম বক্করের নাম উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে, রাজনৈতিক ফায়দা নিতে সন্ত্রাসীদের তালিকায় যুক্ত করেছে প্রশাসন।যা অত্যন্ত দলীয়করণ, প্রহসন মূলক ও নিন্দানীয় বটে। প্রশাসনের একটি পক্ষ সরকারের রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিল করতে জনাব আবুল হাশেম বক্কর’কে সন্ত্রাসীর তকমা লাগিয়ে রাজনৈতিক পরিবেশ ঘোলা করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে, যা অনেকটা ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করার মত। আবুল হাশেম বক্কর একজন কর্মীবান্ধব পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ। নব্বইয়ের স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে আজ অব্দি দেশের প্রয়োজনে যে কোনো গণতান্ত্রিক আন্দোলনে রাজপথে সামনের সারিতে নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছেন। তৃণমূল থেকে উঠে আসা আবুল হাশেম বক্কর নিজের কর্মগুণে হয়েছেন কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-সভাপতি এবং পরবর্তিতে সফলতার সাথে নগর বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন।রাজনীতিতে অল্প সময়ে সুনাম অর্জন করার পাশাপাশি এই নেতা বিশিষ্ট সমাজ সেবক, শিক্ষা এবং ক্রীড়া অনুরাগী হিসেবে নগরে সুপরিচিত।
নেতৃদ্বয় আরো বলেন,চট্টগ্রাম শহর জুড়ে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও সরকারের মদদপুষ্ট চিহ্নিত শীর্ষ স্থানীয় সন্ত্রাসীরা সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করছে।তালিকাভুক্ত চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের তালিকায় নগর বিএনপির সদস্য সচিব জনাব আবুল হাশেম বক্করের নাম সহ বিএনপির ৩৮ জনের নাম অন্তর্ভুক্তি প্রশাসনের ধৃষ্টতা স্বরূপ। বিএনপি সন্ত্রাসে বিশ্বাসী নয়,এভাবে উদ্দেশ্য প্রণোদিত কুরুচিপূর্ণ অভিযোগ চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রদলের পক্ষ থেকে ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করলাম।পরিশেষে সরকারের এই উদ্দেশ্য মূলক কালো তালিকা থেকে কর্মীবান্ধব পরিছন্ন রাজনীতিবিদ আবুল হাশেম বক্করের নাম অনতিবিলম্বে প্রত্যাহার করার জোর দাবি জানায়।















