মোঃ তৌহিদুল ইসলাম || চট্টলা নিউজঃ অবকাঠামো ও সুযোগ-সুবিধার দিক থেকে পিছিয়ে থেকেও অনেক ক্ষেত্রে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ভালো করছে উল্লেখ করে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেছেন, “ওরা পারলে আমরা কেন পারবো না? দেশের সার্বিক উন্নয়নের জন্য পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ অত্যন্ত জরুরি।”
শনিবার(৩ অক্টোবর) চট্টগ্রামে অবস্থিত বাংলাদেশ-কোরিয়া কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (বিকেটিটিসি) ও মহিলা কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
পরিদর্শনকালে মন্ত্রী কেন্দ্র দুটির বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কার্যক্রম ও সুযোগ-সুবিধা ঘুরে দেখেন। এ সময় বিকেটিটিসি চট্টগ্রামে চলমান ওয়েল্ডিং সিমুলেশন প্রশিক্ষণ কার্যক্রমও পর্যবেক্ষণ করেন। আধুনিক সিমুলেশন প্রযুক্তির মাধ্যমে প্রশিক্ষণার্থীরা বাস্তব কাজে যাওয়ার আগে তুলনামূলক নিরাপদ পরিবেশে ওয়েল্ডিংয়ের বিভিন্ন প্রক্রিয়া অনুশীলনের সুযোগ পাচ্ছেন। এতে নিরাপদ হাতে-কলমে প্রশিক্ষণের পাশাপাশি উপকরণ ও সম্পদের অপচয় কমানো এবং পরিবেশবান্ধব কর্মপদ্ধতি সম্পর্কে প্রশিক্ষণার্থীদের সচেতন করার সুযোগ তৈরি হচ্ছে।
প্রেস ব্রিফিংয়ে মন্ত্রী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে চট্টগ্রামে আরও দক্ষ কর্মী তৈরির বিষয়ে মন্ত্রণালয়ে ফিরে সার্বিক পর্যালোচনা ও আলোচনার আশ্বাস দেন। তিনি বলেন, কোন অঞ্চলে কী ধরনের শিল্প রয়েছে এবং সেসব শিল্পে কী ধরনের দক্ষতা বা প্রশিক্ষণের প্রয়োজন, তা চিহ্নিত করে সে অনুযায়ী প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে। চট্টগ্রাম থেকেই এ ধরনের একটি পাইলট প্রোগ্রাম শুরু করার উদ্যোগের কথাও জানান তিনি।
চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, বিভিন্ন দেশে কর্মরত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতদের নতুন নতুন শ্রমবাজার খুঁজে বের করার পাশাপাশি কোথায় কী ধরনের কাজের চাহিদা রয়েছে, তা চিহ্নিত করতে ভূমিকা রাখা প্রয়োজন। বিদেশের শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করা গেলে দক্ষ জনশক্তি তৈরি ও বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ আরও বাড়ানো সম্ভব বলে তিনি উল্লেখ করেন।
পরিদর্শনকালে আরও উপস্থিত ছিলেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ আব্দুর রহমান তরফদার, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শক মোঃ ফরহাদ সিদ্দিক, শ্রম অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোঃ আবদুছ সামাদ আল আজাদ, বিকেটিটিসি চট্টগ্রামের অধ্যক্ষ প্রকৌঃ পলাশ কুমার বড়ুয়া সহ মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রসমূহের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
















